দেবীগঞ্জ উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফলের চাষ হচ্ছে। আগের তুলনায় আবাদও বেড়েছে। ড্রাগন ফল চাষে খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ায় তরুণ উদ্যোক্তারা বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফলের বাগান করছেন।
গাছ লাগানোর তিন বছরের মধ্যে এর ফল পাওয়া যায়। ড্রাগন খুবই পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ একটি ফল। এর ভেতর ও বাইরের পুরো অংশ লাল রঙের আভায় বিকশিত। ফলটির দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য দেখতে বাগানগুলোতে মানুষের যথেষ্ট উপস্থিতি দেখা যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দেবীগঞ্জের জয়নুল তিন বিঘা জমিতে ড্রাগনের বাগান করেছেন। গাছের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। ইতিমধ্যে জয়নুল ৫ লাখ টাকার ড্রাগন ফল বিক্রি করেছেন।
তিনি আরও ৪ লাখ টাকার ড্রাগন ফল তার বাগান থেকে বিক্রি করার আশা প্রকাশ করছেন। ড্রাগন ফল বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রতি কেজি ড্রাগন ফল বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাফিয়ার রহমান জানান, এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফলের চাষ হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা সমসাময়িক ফসল চাষ থেকে বেরিয়ে আসছেন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ফসলের দিকে মনোযোগী হচ্ছেন। এতে করে তারা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।
