শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ঝাঁজ বেড়েছে শুকনা মরিচের

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২২, ১৩:৫৪

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ার অজুহাতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শুকনা মরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ৭৫। গত এক সপ্তাহ আগে ফুলবাড়ী উপজেলার পৌর বাজারসহ অন্যান্য হাটবাজারে শুকনা মরিচ ২২০ থেকে ২২৫ টাকা কেজিদরে বিক্রি হলেও বর্তমানে একই মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৯০ থেকে ২৯৫ টাকা কেজিদরে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রেতা সাধারণ।

বুধবার (২৭ জুলাই) সকালে ফুলবাড়ী পৌরসভার সবজি বাজারে বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রনি কুমার বলেন, বাজারে প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এরমধ্যে নতুন করে যোগ হয়েছে শুকনা মরিচ। এভাবে দাম বাড়লে আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের ওপর কেবল বোঝাই বাড়বে। মরিচের দাম বাড়ায় মরিচের পরিমাণ কমিয়ে কিনতে হচ্ছে।

পৌর বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা মন্টু মিয়া বলেন, স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাহিদানুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় বেচাকেনা ভালো হচ্ছে না। যেটুকু পাওয়া যাচ্ছে তারও আবার দাম বেশি। বেশি দামে পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে শুকনা মরিচ কিনতে হচ্ছে বলেনই সামান্য কিছু লাভ ধরে ক্রেতা সাধারণের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। সরবরাহ ভালো থাকার কারণে ঈদের আগে শুকনা মরিচের দাম কম ছিল। কিন্তু ঈদের পর সরবরাহ কমে গেছে।

মরিচের পাইকারি ব্যবসায়ী সামসুল ইসলাম ও আমজাদ হোসেন বলেন, বর্তমানে তীব্র খরতাপের কারণে মরিচের ফুল নষ্ট হয়ে গেছে। আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কাঁচা মরিচের উৎপাদন কমে গেছে। এতে কৃষকরা শুকনা মরিচ করতে না পারায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। আগে পঞ্চগড় ও বগুড়া এলাকা থেকে শুকনা মরিচ আসলেও এখন শুধুমাত্র পঞ্চগড় থেকে মরিচ আসছে। তাও আবার চাহিদার তুলনায় অনেক কম হওয়ায় বাজারে মরিচের সংকট দেখা দিয়েছে, একারণে দাম বেড়ে অনেক বেশি। তবে সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে।

ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় মরিচের দাম বেড়েছে। তবে কেউ কারসাজির মাধ্যমে দাম বাড়াচ্ছে কি না, তা আমরা খতিয়ে দেখছি।

ইত্তেফাক/এমআর

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন