ইত্তেফাক রিপোর্ট
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) দ্বিতীয়বারের মতো গণশুনানির আয়োজন করেছে। আজ বুধবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ ১ হাজার ৬শ প্রশ্ন পাঠিয়েছেন। তবে এত প্রশ্নের মধ্যে মাত্র ১২০টি গণশুনানিতে উত্তরের জন্য উপস্থাপন করা হবে। অধিকাংশ প্রশ্নকর্তাই মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর কল ড্রপ, ইন্টারনেটের দাম আর সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। গণশুনানিতে ১৬৫ জন উপস্থিত থাকতে নিবন্ধন করেছেন।
এত প্রশ্নের মধ্যে মাত্র ১২০টি প্রশ্নের কেন উত্তর দেওয়া হবে? জানতে চাইলে বিটিআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি, সম্পূর্ণ নয়, প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় বাছাইয়ে বাকি প্রশ্নগুলো বাদ পড়েছে। যে ১২০টি প্রশ্ন নেওয়া হয়েছে গণশুনানিতে সেগুলোরই উত্তর দেওয়া হবে। তবে যদি সময়ের মধ্যে তা না পারা যায় অবশিষ্ট প্রশ্নের উত্তর অনলাইনে দিয়ে দেওয়া হবে।
বিটিআরসির টেলিযোগাযোগ সেবার মান নিয়ে প্রথম গণশুনানি করে ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর। তবে সেই গণশুনানিতে মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠলেও বেসরকারি কোনো মোবাইল অপারেটর অংশ নেয়নি। ঐ শুনানিতে অংশ নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করেছিল ১ হাজার ৫০ জন। তবে অভিযোগ জানাতে ডাক পেয়েছিলেন ৪২০ জন। যদিও স্বল্প সময়ে মাত্র ৩২ জন তাদের অভিযোগ জানাতে পারেন।
