রোববার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

সৈয়দপুরে অস্তিত্ব সংকটে বাঁশশিল্প

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২২, ১৬:২২

সৈয়দপুরে বাঁশের অভাব, প্রয়োজনীয় পুঁজি, পরিকল্পিত উদ্যোগের কারণে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বাঁশশিল্প। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের অনেকেই এখন অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। কেউ চালাচ্ছেন রিকশা-ভ্যান, কেউ হয়েছেন মুদিদোকানি, আবার কেউ করছেন দিনমজুর। অনেক নারী শিল্পীরা করছেন বাসাবাড়িতে ঝিয়ের কাজ। 

সৈয়দপুর উপজেলায় প্রায় ১০০টি বাঁশশিল্প কারিগর পরিবারে বসবাস। বাজারে প্রচলিত প্লাস্টিক দ্রব্যসামগ্রীর সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে তারাও হয়ে পড়েছেন কোণঠাসা। তাদের তৈরিকৃত খলই, ডুলি, চালা, কুলা, খাঁচা, চালনি, চাটাই, ডোল, ঝুড়ি, পলো, ডালা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। 

উপজেলার লক্ষণপুরের নিরঞ্জন জানান, বাপ-দাদার পেশা তাই আঁকড়ে ধরে আছি। ছেলেমেয়েরা এখন আর এ পেশায় থাকতে চাচ্ছেন না। আগের মতো চাহিদাও নেই।

প্রীতিলতা রানী জানান, বাঁশের দাম বেড়ে গেছে। পুঁজি সংকট রয়েছে।

নারী উদ্যোক্তা কামরুন নাহার ইরা বলেন, চিরায়ত বাঙালি সংস্কৃতির অংশ পরিবেশবান্ধব বাঁশশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে, পেশাসংশ্লিষ্টদের বিনা সুদে কিংবা স্বল্প সুদে পরিবারভিত্তিক ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণসহ পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা জরুরি।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হুসাইন জানান, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরকারিভাবে সহায়তা করার সুযোগ থাকলে তা অবশ্যই করা হবে। 

ইত্তেফাক/এআই