বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

ক্লিনিক-হাসপাতালে অভিযান, ২ জনকে কারাদণ্ড   

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০২২, ১৮:১৬

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বান্দুরা বাজারে লাইসেন্সবিহীন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার (৩১ আগস্ট) বিকাল ৩টায় আদালত পরিচালনা করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আ. হালিম।

এসময় সুসমা পলি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চক্ষু হাসপাতালের মালিক পার্থ সারথি মন্ডলকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম এবং সিয়াম চক্ষু হাসপাতালের মালিক মো. হান্নান শেখকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। 

জানা যায়, নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা বাজারে অবস্থিত লাইসেন্স ব্যতীত বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক এবং ডায়গনস্টিক পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত করা হয়েছে। মেডিক্যাল প্র্যাক্টিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ১৯৮২ অনুযায়ী লাইসেন্স গ্রহণ করা ছাড়া কোনো বেসরকারি ক্লিনিক পরিচালনা করার সুযোগ নেই। ইতোপূর্বে নবাবগঞ্জ উপজেলার লাইসেন্স বিহীন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে লাইসেন্স গ্রহণ করার জন্য সচেতন করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও লাইসেন্স গ্রহণ করা ছড়াই নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা বাজারে সুসমা পলি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চক্ষু হাসপাতাল এবং সিয়াম চক্ষু হাসপাতাল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। 

বুধবার বিকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসব অবৈধ হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সুসমা পলি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চক্ষু হাসপাতালের মালিক পার্থ সারথি মন্ডলকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সিয়াম চক্ষু হাসপাতালের মালিক মো. হান্নান শেখকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ।
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘লাইসেন্স বিহীন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২ জনকে সাজাসহ উপজেলার ৪টি অবৈধ বেসরকারি হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা কাজে সহায়তা করেন নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যরা।                                   
  
নবাবগঞ্জ থানা ডিউটি অফিসার এসআই তানভীর শেখ বলেন, ‘বুধবার বিকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। তাদের কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’

ইত্তেফাক/মাহি