বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

চলতি বছরে ডেঙ্গুতে রেকর্ড মৃত্যু

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:০০

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৫ ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে ৩১ জনের মৃত্যু হলো। এ সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫০ জনে।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নতুন ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ২২৪ জনই ঢাকার বাসিন্দা। এ  সময়ে ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬০ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা সর্বমোট ৮৫০ জনের মধ্যে ৭১১ জনই ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আর ঢাকার বাইরে রয়েছেন সর্বমোট ১৩৯ জন রোগী।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ৭ হাজার ৩৯৭ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ৬ হাজার ৪৮ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩৪৯ জন।

সর্বমোট ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৬ হাজার ৫১৬ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় সর্বমোট ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৩২৪ জন এবং ঢাকার বাইরে সর্বমোট ছাড়প্রাপ্ত রোগী এক হাজার ১৯২ জন। এদিকে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এই বছরের জানুয়ারি মাসে সারাদেশে মাত্র ১২৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়, এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে ২০ জন, মার্চ মাসেও ২০ জন, এপ্রিল মাসে ২৩ জন। এরপর মে মাস থেকে আবারও সংক্রমণ কিছুটা  ঊর্ধ্বগামী হতে থাকে, ওই মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় ১৬৩ জন, জুন মাসে ৭৩৭ জন, জুলাই মাসে এক হাজার ৫৭১ জন এবং আগস্ট মাসে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৫২১ জন। এমনকি সেপ্টেম্বর মাসের এখন পর্যন্ত সংক্রমণ এসে দাঁড়িয়েছে ৮৫০ জনে।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জন মারা গিয়েছিল।

ইত্তেফাক/এনএ