বিএসএমএমইউতে ভাঙচুরের ঘটনায় নাশকতার মামলা

আপডেট : ১২ জুন ২০১৯, ২২:৫০

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য (ভিসি) অফিসে ভাঙচুরের ঘটনায় নাশকতা মামলা করেছে কর্তৃপক্ষ। বিএসএমএমইউর প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, মামলায় ৪০ থেকে ৫০ জন আন্দোলনকারীকে আসামি করা হয়েছে। বিএসএমএমইউতে চিকিত্সক নিয়োগ পরীক্ষায় যারা অকৃতকার্য হয়েছে পরীক্ষা বাতিল চেয়ে তারাই ভাঙচুর চালিয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। তবে মামলায় কয়েকজনের নাম থাকলেও বাকিদের অজ্ঞাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে এবং তদন্ত করে যারা ভাঙচুর করেছেন তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন— ডা. বিজয় কুমার পাল, ডা. আহসান হাবীব হেলাল, ডা. আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার টিপু, ডা. বশির আহমেদ, ডা. মো. ফারুক, ডা. তৌহিদুজ্জামান, ডা. মোহাম্মদ জাকির, ডা. এনায়েত উল্লাহ তুষার, ডা. প্রাণ, ডা. শুভাষ কান্তি দে, ডা. দীপঙ্কর, ডা. রাফিউল বারী, ডা. বিদ্যুত্ চন্দ্র দেবনাথ ও ডা. শরীফ। নাম উল্লেখ করা আসামিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

গত ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত বিএসএমএমইউতে ২শ চিকিত্সক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল গত মে মাসে প্রকাশিত হয়। ১৮০ জন মেডিক্যাল অফিসার ও ২০ জন ডেন্টাল চিকিত্সক পদে ২শ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় ৮ হাজার ৫৫৭ জন চিকিত্সক অংশগ্রহণ করেন। লিখিত পরীক্ষায় এক পদের বিপরীতে চারজন পাস করেন। এ হিসাবে ৭১৯ জন মেডিক্যাল অফিসার ও ডেন্টালের ৮১ জন মিলে মোট ৮২০ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এ ফলাফল ঘোষণার পরপরই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সুযোগবঞ্চিত চিকিত্সকরা।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে চিকিত্সক নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমি মেধার ক্ষেত্রে কোনো আপোষ করব না। যারা মেধাবী তারাই ডাক্তার হবে। মেধা নিয়ে আপোষ করলে এটি বিশ্ববিদ্যালয় না, তদ্বিরকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।