মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির অভিযোগে প্রাণ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান প্রাণ ডেইরি লিমিটেডের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এতে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়েছে। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী শুল্ক কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান সজিব বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের একটি সূত্র জানায়, শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে প্রাণ গ্রুপের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইনে মামলা হয়েছে। এটি এখন তদন্তাধীন বিষয়। যদি তদন্তে মানি লন্ডারিং কিংবা এ সংক্রান্ত ফৌজদারি কোনো অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে থানায় নিয়মিত মামলা হবে।
কাস্টমস হাউজ কর্মকর্তারা জানান, প্লাস্টিক দানার ঘোষণা দিয়ে সৌদি আরবের একটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের সিমেন্ট আমদানি করে প্রাণ গ্রুপ প্রায় তিন কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এর আগে গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরের একটি ইয়ার্ডে প্রাণ গ্রুপের আমদানি পণ্যবোঝাই ৩০টি কনটেইনারের কায়িক পরীক্ষা শেষে সেখানে ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য পায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এরপর সেগুলোর খালাস স্থগিত রেখে আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে প্রাণ ডেইরি লিমিটেডের নামে ৩০ কনটেইনারের এই চালানটি গত ২৬ মে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। ওইদিনই চালান খালাসের জন্য নথিপত্র জমা দেয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। চালানে পাঁচ লাখ ৬৬ হাজার ডলার মূল্যের ৫১০ মেট্টিক টন প্লাস্টিক দানা আনার ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদে সরকারি বন্ধের সময় ৬ জুন রাতে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কনটেইনার খালাসের চেষ্টা করা হয়। এসময় কাস্টমস কর্মকর্তারা দুটি কনটেইনার খুলে সিমেন্টের বস্তা দেখতে পান এবং খালাস বন্ধ ঘোষণা করেন। ৩০টি কনটেইনারে করে সৌদি আরবের জেবেল আলী ব্র্যান্ডের ৫১০ মেট্রিক টন সিমেন্ট আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
০
