গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উজবেকিস্তানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেখানে দুই নেতা ইউক্রেন, তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন।
খবরে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে পুতিন ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের মিটিংয়ে যোগ দিতে দুই নেতাই এখন উজবেকিস্তানে।
ইউক্রেনের পাশাপাশি তাইওয়ান নিয়েও উত্তেজনা বাড়ছে। 'এক চীন' নীতি নিয়ে চলা শি জিনপিং সম্প্রতি তাইওয়ান নিয়ে মার্কিন কূটনীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে দুই নেতা উজবেকিস্তানে মিলিত হলেন এবং শি জিনপিং জানিয়ে দিলেন, 'রাশিয়াকে সমর্থনের ক্ষেত্রে চীনের কোনো সীমা নেই। মস্কোকে সীমাহীন সমর্থন জানাবে বেইজিং।'
আর পুতিন বলেছেন, 'আমি জানি আপনার কিছু প্রশ্ন আছে। কিছু উদ্বেগ আছে। আমরা অবশ্যই বিস্তারে তার ব্যখ্যা দেব। সাংহাই কোঅপারেশনের বৈঠকে জানাব। আমরা আগেও এনিয়ে আলোচনা করেছি।'
রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংবাদসংস্থা তাস জানিয়েছে, 'পুতিন এই কথাও স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, রাশিয়া ও চীনের এই বন্ধুত্ব আঞ্চলিক ও বিশ্বের স্থিরতা বজায় রাখছে।'
রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর এই প্রথমবার পুতিন ও শি জিনপিং সামনা সামনি কথা বললেন।
অ্যামেরিকার নাম না করে পুতিন বলেছেন, ইউনিপোলার বিশ্ব তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্প্রতি সেই চেষ্টা কুৎসিতভাবে সামনে এসেছে। আমরা কোনোভাবেই তা মানতে পারছি না।
এছাড়া তাইওয়ান নিয়ে উত্তেজনা প্রসঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, 'আমরা এক চীন নীতিতে বিশ্বাসী। অ্যামেরিকা তাইওয়ান নিয়ে উসকানি দিচ্ছে, তার বিরোধিতা করছি।
শি জানিয়েছেন, 'রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে চীন গ্রেট পাওয়ারের ভূমিকা পালনের চেষ্টা করবে। বিশ্বে স্থায়িত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করবে।
