সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১৮ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

জলতরঙ্গে রিচির বাজিমাত

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৯:১১

জলভর্তি কিছু বাটি আর দুটো চা-চামচ। তা দিয়েই 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি', 'আমরা করবো জয়' এবং 'রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ' সহ বিভিন্ন গানের চমৎকার সুর তুলতে পারেন রিচি। তার এমন দক্ষতায় তিনি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ পরিচিত।

করোনার অবসর সময়টাতেই শখের বশে জলতরঙ্গ নিয়ে কাজের শুরু। বাটি-চামচ না ভাঙলেও শুরুর দিকে সুর তোলা বেশ কষ্টসাধ্য ছিলো, একসময় হাল ছেড়ে দেওয়ার চিন্তাও করেন রিচি। তবুও নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে মগ্ন থাকতেন সুর তোলার নেশায়। মায়ের কড়া চাহনি উপেক্ষা করে শোকেস থেকে বাটি বের করে আনাও কঠিন ছিল। তবে বাটি-চামচের সংমিশ্রণে নিজ প্রচেষ্টায় যখন তিন দিনের মাথায় সুর তুলে দেখালেন, তখন পরিবারের সবাই তাকে উৎসাহ যুগিয়েছেন। এক পর্যায়ে ফেসবুকে আপলোড করায় দ্রুতই ভাইরাল হয় বাটি-চামচের সুরের রিচির ভিডিও।

তিন বছর বয়স থেকেই গান শেখেন রিচি। সে সময়ে করা গানের নোটগুলোই জলতরঙ্গে সুর তোলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে বলে জানান তিনি।

ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি ভালোলগা ও ভালোবাসা, দুর্বলতা ছিল বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের প্রতিও। ফেসবুকে স্ক্রল করতে গিয়ে এক বিদেশি শিল্পীকে দেখতে পান জল ভর্তি কিছু বাটি, চামচ আর গ্লাস দিয়ে গানের সুরের আওয়াজ তুলতে। সেটিই তাকে আকৃষ্ট করে এবং সেখান থেকেই জলতরঙ্গ নিয়ে কাজ শুরু করেন তিনি।

রিচি বলেন, বাটির আকার আর পানির পরিমাণের উপর নির্ভর করে সুরের ভিন্নতা। ছোট আকারের বাটি আর পানির পরিমাণ বেশি হলে সুর চিকন এবং বাটি বড় আর পানির পরিমাণ কম হলে সুর মোটা হয়।

জলতরঙ্গে সবার ভালোবাসা আর উৎসাহ দেখে ভবিষ্যতেও এ নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে রিচির।

 

ইত্তেফাক/এসটিএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন