শরতের আকাশে রোদের ঝিলিক। পথে শিউলি ফুলের ঘ্রাণই বলে দিচ্ছে, পূজার সময় এসেছে। পূজো উপলক্ষে ভিন্ন সাজে সাজতে চিন্তার অন্ত নেই। সেই উৎসব যেন শুধু রঙিন হয়েই থাকে সেজন্য শুকসারী’র রঙিন আয়োজন।
উৎসব মানেই নতুন কিছু। সেই উৎসবে রঙের খেলায় মেতে উঠতে নতুন কিছুর প্রচেষ্টা শুকসারী’র। ষষ্ঠী থেকে দশমী, পাঁচদিনের আনন্দ উৎসবকে রঙিন করতে পূজার চিরায়ত লাল সাদার বাইরে একটু ভিন্ন রঙে এসেছে শুকসারী’র নকশাগুলো।
পূজোয় গুপী কিংবা বাঘার মতোই পূজোয় তিন বরের সন্ধানে নেমে পড়ুন। শুকসারীর ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ থিমের শাড়ি পূজোর উৎসবকে করে তুলতে পারে আরও আনন্দময়।
কিংবা শরতের আকাশ জড়িয়ে নিন শরীরে। সেই আকাশের গায়ে ছড়িয়ে থাকা সূর্যমুখীর মাঝে আপনিই হয়ে উঠুন সেই সূর্য। পূজোতে আলো ছড়ান যেকোনো উপলক্ষে।
পুরাণের আবহ সাজাবেন নিজেকে? সে আয়োজনও রয়েছে। গায়ে চড়াতে পারেন ‘পৌরাণিকা’। কি ভয়ংকর সুন্দর! পূজোয় মাকে স্বাগত জানাতে হয়ে উঠুন পুরাণের নায়িকা। তেমনই এক সুন্দর শাড়ির আয়োজন এবার শুকসারী’তে।
রবীন্দ্রনাথের কুমুদিনীর কথা মনে আছে? এই পূজোতে মায়ের কাছে দ্বিধান্বিত সমর্পণের সাজ কিন্তু আছে শুকসারী’তে। একই সঙ্গে স্নিগ্ধ এবং একই সঙ্গে আকর্ষণীয়।
নাকি নিজেকে সাজাবেন পূজোর চিরাচরিত রঙে? সে সুযোগও আছে। লাল-সাদার বাইরেও লাল-সবুজের রঙে সাজানো ‘নন্দিনী’ আপনার বাঙালীয়ানা ফুটিয়ে তুলবে স্পষ্টভাবে। লাল আর সবুজ রঙে নিজেই পেতে পারেন দেবীর রূপ। শুধু মুখে চড়িয়ে নেবেন দেবীর সাজ।
অথবা সাজবেন সাদায়। নিজে হতে পারেন আকাশ। সেই আকাশে উড়ে বেড়াবে মুক্ত বিহঙ্গ।
এছাড়াও পূজোর আয়োজন সম্পূর্ণ করতে সালোয়ার, কামিজ ও কুর্তাসহ আছে নানা আয়োজন। প্রকৃতি, ভাস্কর্য, মহামায়া, সখী, সাতকাহন এসব আয়োজনে রঙিন হোক পূজো। শুকসারী এর ফেসবুক পেজে সহজেই দেখতে পাবেন এসব পোশাকের আয়োজন। সাদা-নীল, এন্টিক ব্রাউন টোন, প্যাস্টাল গ্রিন, হলুদ, সবুজ কিংবা রানী গোলাপি। পূজোর সাজ এবার ভিন্ন হোক শুকসারী’র কল্যাণে।
