শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

৩০ মাসে শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম নির্মাণের আশা বিসিবির

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৪:২৮

সাধারণত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের সভা ক্রিকেটাঙ্গনে সাড়া ফেলে থাকে। গতকাল সকালে বিসিবির মিডিয়া বিভাগ থেকে জানানো হয় দুপুরেই শুরু হবে সপ্তম বোর্ড সভা। পরিচালকরা দুপুরের পর আসতে শুরু করেন মিরপুর স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে।

সংবাদকর্মীদের জন্য বিসিবিতে সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্র ক্রমেই যেন সংকুচিত হচ্ছে। গতকাল যেমন কড়া নিরাপত্তায় বোর্ড সভা হলো। অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বিসিবি কার্যালয়েই প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। প্রায় ঘণ্টা চারেক সভার পর এসে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও বোর্ড পরিচালকরা।

সাংবাদিকদের কাজের প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর অনুমোদন গতকাল বোর্ড সভায় দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিসিবি সভাপতি। মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ টিটোও বলেছেন, দ্রুতই সমস্যা নিরসন হবে।

তবে গতকাল সপ্তম বোর্ড সভার মূল এজেন্ডা ছিল শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম। পূর্বাচলে ‘দ্য বোট’ খ্যাত স্টেডিয়ামের বিদেশি পরামর্শক কোম্পানি পপুলাস আর্কিটেকচারকে গত আগস্টেই নিয়োগ করেছে বিসিবি। গতকাল তাদের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয় বোর্ড সভায়। শিগিগরই দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। চুক্তির পর ৬ মাসের মধ্যে স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ শুরু হবে। আর ৩০ মাসের মধ্যে স্টেডিয়ামের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা করেছে বিসিবি।

গতকাল বোর্ড সভার পর সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির পরিচালক জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘পপুলাস আর্কিটেকচারকে ডিজাইনের কাজ দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে একটা চুক্তি হবে। সেটার অনুমোদন আজকে (গতকাল) দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে যে কোনো সময় আমাদের চুক্তি হবে। আমরা প্রস্তুত আছি, কাগজপত্র তৈরি হয়ে গেছে। চুক্তি স্বাক্ষর হওয়া বাকি আছে। চুক্তি হওয়ার পর তাদেরকে ছয় মাসের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে।’

পুরো স্টেডিয়াম নির্মাণে কত সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন গতকাল বলেছেন, ‘আমাদের ৩০ মাসের একটা টাইমলাইন করা আছে। কনসালট্যান্ট চুক্তির তারিখ থেকে।’

২০১৯ সালে শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিসিবি। করোনাসহ নানা কারণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। অবশেষে স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ শুরু করার কাছাকাছি চলে এসেছে বিসিবি। তাই অচিরেই দ্য বোটের কাঠামো দৃশ্যমান হবে আশা বিসিবি কর্তাদের। 

ইত্তেফাক/ইআ