কোটি টাকার আইডিয়া চ্যালেঞ্জ

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২২, ১৪:৩৫

নানাবিধ উদ্ভাবনের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। উদ্যমী তরুণ উদ্ভাবকদের জন্যও তৈরি হচ্ছে দারুণ সব সুযোগ। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এটুআই প্রোগ্রাম চারপাশের সুনির্দিষ্ট কিছু সমস্যা সমাধানে 'ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২২' আয়োজন করেছে। ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে উদ্ভাবনী আইডিয়া বাস্তবায়নের জন্য সিড মানি হিসেবে রয়েছে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা।

এ সকল ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে— নারীদের আর্থিক লেনদেনে অধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণে 'উইম্যান ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২২'; ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএসএমই) উদ্যোক্তাদের আর্থিক সেবা নিশ্চিতকরণে 'সিএমএসএমই ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২২'; গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে 'প্রেগনেন্সি মনিটরিং ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২২'।

উল্লিখিত ক্যাটাগরিগুলোতে ইনোভেশন আইডিয়া জমা দেয়া যাবে।

আবেদন প্রক্রিয়া: ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২২-এ অংশগ্রহণের জন্য www.challenge.gov.bd ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে। যে ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করতে চান সেই ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে আইডিয়া জমা দিতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমনকি দেশের বাইরে থেকেও যেকোনো উদ্ভাবক আইডিয়া জমা দিতে পারবেন। এই ইনোভেশন চ্যালেঞ্জে উদ্ভাবক শুধুমাত্র আইডিয়া প্রদান করবেন, তা নয়। আইডিয়া প্রদান করার পাশাপাশি বাস্তবায়নেও যুক্ত থাকবেন। প্রতিটি ক্যাটাগরির আইডিয়া জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ভিন্ন। বিস্তারিত তথ্য ওয়েবসাইটেও দেওয়া আছে।

আইডিয়া প্রদানের পর প্রাথমিকভাবে আইডিয়া বাছাই করা হবে। পরে তা জুরি বোর্ডের সামনে উপস্থাপনসহ সম্ভাব্যতা, কৌশল , বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা—ইত্যাদির ভিত্তিতে প্রাথমিক বাছাই শেষে ৪টি ধাপে বুটক্যাম্প, কারিগরি মুল্যায়ন এবং নির্বাহী কমিটি অনুমোদনের পর পুরস্কারের অর্থ প্রদান করা হবে।

ইনোভেশন চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর জানান, চতুর্থ শিল্প বিল্পব ও ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের চারপাশের অনেক সমস্যাকে প্রযুক্তি দিয়ে সমাধান করতে হবে। এটুআই প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী আইডিয়া বাস্তবায়নে আইল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছে। সেখানে ডিভাইস ইনোভেশনসহ নানা ধরনের উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরা।  ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ফান্ড ২০২২ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা এবারও দারুণ কিছু উদ্ভাবনী আইডিয়া পাবো বলে আশা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে রুপরেখা আমাদের দিয়েছেন তা বাস্তবায়নে আমাদের অনেক বেশি উদ্ভাবনমুখী হতে হবে।

এটুআই-এর ইনোভেশন এক্সপার্ট নাঈম আশরাফী বলেন, সম্প্রতি ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২২ নিয়ে এটুআই এর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট মিডিয়া একটি সিটিজেন টক-এর আয়োজন করেছে, যেখানে এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। যে কেউ চাইলে ভিডিওটি দেখতে পারেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। নিয়মিত www.challenge.gov.bd ওয়েবসাইটটি ভিজিট করলেই এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।

ইত্তেফাক/এসটিএম