চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ২০তম কংগ্রেস চলছে। এতে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর তৃতীয় মেয়াদের জন্য ক্ষমতায় থাকা অনুমোদিত হবে বলেই বিশ্লেষকরা বলছেন। বিশ্ব-রাজনীতিতে চীনের নেতৃস্থানীয় ভূমিকাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা, চীনের অর্থনীতি, সামরিক শক্তি, তাইওয়ান প্রশ্ন - ইত্যাদি ক্ষেত্রে তৃতীয় মেয়াদে কেমন ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন শি? শি-র ভাষণ ছাড়াও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রচারণা থেকে এক কিছুটা আভাস পাওয়া যায়।
শি জিনপিং এখন চীনে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতা। কমিউনিস্ট চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাওজেদং-এর পর কেউই তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতাসীন হননি - যা শি জিনপিং হতে যাচ্ছেন।
এবারের কংগ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রায় ২ ঘন্টার ভাষণ দিয়েছেন শি। সেই দিন ভাষণে শি তাইওয়ান নিয়ে কড়া ভাষায় ভাষণ দেন। এ ব্যাপারে বলেছেন, তার দেশের 'পূর্ণাঙ্গ পুনরেকত্রীকরণ' অবশ্যই হবে এবং হতেই হবে, এবং চীন এ জন্য শক্তি প্রয়োগ করবে না - এমন অঙ্গীকার কখনো করা হবে না। এ সময় কংগ্রেসে আগত ডেলিগেটরা অনেকক্ষণ ধরে করতালি দেন।
স্বশাসিত তাইওয়ান দ্বীপটিকে চীন তার নিজের অংশ মনে করে এবং এটিকে তাদের মূল ভূখন্ডের সাথে যুক্ত করার ব্যাপারটি বহুকাল ধরেই চীনের অন্যতম লক্ষ্য।
কংগ্রেসে শির এমন বক্তব্যের পর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন তাদের নিজস্ব যোগ্যতার ভিত্তিতে তার অবস্থান এবং নীতি নির্ধারণ করবে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এর মুখপাত্র বারবার এমন কথাই বলে এসেছেন।
এছাড়া শির এমন অবস্থানে ইউক্রেন যুদ্ধে তাদের অবস্থান একই থাকবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে যে সম্পর্ক খারাপ না হয় এই জন্যে দেশটির পশ্চিমাদের নীতি অনুসরণ করবে না।
