প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা। আশাকরি ভালো আছো সবাই। জানি, তোমরা এখন অনেক ব্যস্ত চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে। নিজের উপর আস্থা নিয়ে এগিয়ে যাও সুদৃঢ়ভাবে। মনের গভীরে উচ্চারণ করো- আমাকেও ভালো করতে হবে। আমিও পারবো। অন্যরা পারলে আমি পারবো না কেন? আমাকেও পারতে হবে। অবশ্যই আমি পারবো। অবশ্যই আমি পারবো। মনে রেখো, সব ভয়কে জয় করেই ছিনিয়ে আনতে হয় সকল সফলতা। জীবনের প্রতিটি কাজে জয়ী হওয়ার জন্য থাকা চাই আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সুদৃঢ় আত্মবিশ্বাস। দুশ্চিন্তায় কোনো সুফল নেই। মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো সব দুশ্চিন্তা। এখন কাজ একটাই, পরীক্ষায় ভালো করা। সেজন্য তোমাকে সঠিকভাবে জানতে হবে, বুঝতে হবে এবং আত্মস্থ করতে হবে নির্ধারিত পাঠ্যসূচির সকল বিষয়। খুব ভালোভাবে আয়ত্ব করো সবকিছু। যেন যেকোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারো তুমি।
শুধু পড়লেই চলবে না। লিখতেও হবে বারবার। মনে রেখো, একবার লেখা দশবার পড়ার চেয়ে বেশি ফলপ্রসূ। পড়ে জেনে নাও বিস্তারিত। মুখস্ত করার চেয়ে উত্তম নিজের মতো করে লিখতে শিখা। লিখ। মিলিয়ে দেখ। ভুল শুধরে নাও। আবার লিখ। আবার মিলিয়ে দেখ। ভাবো। আবার লেখ। দেখবে বইয়ের মত হুবহু না হলেও সঠিক হয়েছে তোমার উত্তর। এতে লেখাপড়ায় পাবে অনেক আনন্দ। বৃদ্ধি পাবে সঠিক উত্তর নির্ভুল বানানে লেখার নিজস্ব ক্ষমতা। নিজের মধ্যে স্থায়ী হবে শিক্ষা। সফল হবে শিক্ষার উদ্দেশ্য।
শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভ কামনা। কীভাবে পরীক্ষায় লিখলে তোমার লেখা দ্রুত, সুন্দর ও প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত একই রূপ ও মান বজায় থাকবে সেদিকে নজর রাখা আবশ্যক। এক নজর দেখলেই যেন আকৃষ্ট করে পরীক্ষককে। হঠাত্ করে তোমার হাতের লেখা পরিবর্তন করতে পারবে না। তাই মনে রাখবে তোমার লেখা যেন পরীক্ষক বুঝতে পারে এক পলকেই।
আর এজন্যে নিচের বিষয়গুলো মনে রেখো-
১. প্রতি পেজে লেখা যেন একই সাইজের হয়। খুব ছোট আবার খুব বড় করা যাবে না। এক পেজে ২০-২২ বাক্যের মধ্যে লেখা রাখতে পারো।
২. শব্দ গুলো সমান দূরত্বে লিখবে।
৩. শব্দ থেকে শব্দের মাঝে ২/৩ বর্ণ সমপরিমাণ ফাঁকা দিতে পারো
৪. এক লাইন থেকে অন্য লাইনের মাঝে ১ আঙ্গুল ফাঁকা দিতে পার।
৫. প্যারা থেকে প্যারার মাঝে হাফ ইঞ্চি ফাঁকা দিতে পার।
৬. বায়ে ও উপরে ১ স্কেল মার্জিন রাখতে পার।
৭. ডানে ও নিচে কোনো মার্জিন থাকবে না তবে অবশ্যই অর্ধ ইঞ্চি সমপরিমাণ ফাঁকা রাখতে চেষ্টা করবে।
৮. কাটাকাটি হলে একটান দিয়ে কেটে ফেলবে।
৯. লেখার পরে যদি ভুল বুঝতে পার তাহলে একটান দিয়ে কেটে উপরে পুনরায় শুদ্ধ করে লিখে দিবে।
১০. যার হাত বেশি ঘামে কলম পিচ্ছিল হয়ে যায় এ কারণে হাতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত হয় না। এমনকি ভিজা হাতের কারণে খাতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ ধরনের পরীক্ষার্থী বন্ধুরা শুকনো রুমাল রাখবে এবং রাবার যুক্ত কলম ব্যবহার করবে।
