সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

এক সদস্যের ব্যান্ড আরিয়ানের

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২২, ১৯:২৯

আপনাকে যদি বলা হয় একজন ব্যক্তি বেস গিটার, ইলেকট্রিক গিটার, অ্যাকোস্টিক গিটার, পিয়ানো, ড্রামস, কি-বোর্ড বাজানো সহ গান লেখা এবং গাওয়া একাই করে থাকেন—  তবে বিশ্বাস করতে একটু কষ্টই হবে বটে। তবে বিশ্বাস-অবিশ্বাসকে দূরে রাখলে সত্যটা কিন্তু তাই। সব ক’টি বাদ্যযন্ত্র সে আলাদা আলাদা ধারণ করে এবং পরে তা কম্পিউটারের মাধ্যমে গান তৈরি করে। জনপ্রিয় নানা গানের কভারই মূলত তাকে পরিচিতি দিয়েছে। বলছিলাম বিজ্ঞান নিয়ে ও লেভেলে পড়াশোনা শেষ করা চট্রগ্রামের ছেলে আরিয়ান চৌধুরীর কথা। বর্তমানে এ লেভেলে বাণিজ্য নিয়ে পড়ছে সে।

গানের সঙ্গে ভালোবাসা ‘আব্বুর ব্যান্ড’ থেকে। অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। প্রিয় ব্যান্ড অর্থহীন, সাস্টেইন, এভয়েড রাফা, অ্যাভেঞ্জড সেভেনফোল্ড’র সঙ্গে তালিকায় আছে এটিও।

আরিয়ান বলেন, ‘আমার বাবা আলমগীর চৌধুরী। তার ব্যান্ডের নাম সাস্টেইন। এই ব্যান্ডে বেজ গিটার বাজান তিনি। তার সঙ্গে থেকেই গানকে সঙ্গী করে বড় হয়ে ওঠা। সাত বছর বয়সেই বাবা গিটার কিনে দেন; এরপর দিনরাত চলে অনুশীলন। তারপর তিন মাসের মাথায় সম্পূর্ণ গিটার বাজানো শিখে ফেলি। ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত এটি শুধুমাত্র একটি শখের মধ্যেই ছিল। তবে এরপর আমি ব্যান্ড ‘অ্যাভেঞ্জড সেভেনফোল্ড’র অনুপ্রেরণায় আমি গান লিখতে শুরু করি। হঠাত্ একদিন বাসায় বিদ্যুৎ চলে গেলে আব্বু-আম্মুর রুমেই আমি বসে ছিলাম, আর তখন বাবা একটা গান গাইতে বললেন। বাবার অজান্তেই আমার লেখা গানটা গাইলাম। বাবা গানের প্রশংসা করে জানতে চাইলেন—এটা কার গান। উত্তরে আমার কথা বলতেই আব্বু চমকে ওঠলেন। তিনি জানতেন না যে আমি লিখি।  তারপর বাবা আমাকে তাদের স্টুডিওতে নিয়ে যান এবং আমাকে পুরো গানটি রেকর্ড করে দেন যা ‘আমি কাছেও থাকব না’ শিরোনামে আমার প্রথম গান। এরপর থেকেই আমি সব বাদ্যযন্ত্র শেখা শুরু করি।’

ইত্তেফাক/এসটিএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন