চট্টগ্রাম অফিস
জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের বাজেটের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালকমণ্ডলীর পক্ষ থেকে সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ এক তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় চট্টগ্রাম-ঢাকা দ্রুতগতির ট্রেন ও বে-টার্মিনাল নির্মাণ পরিকল্পনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তিনি এই প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে বাস্তবায়নের দাবি জানান। তিনি বলেন, এসএমই খাতের উন্নয়ন, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও রাজস্ব আহরণের আওতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে প্রস্তাবিত বাজেট। বৃহস্পতিবার উত্থাপিত বাজেট উপলক্ষে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
চেম্বার সহ-সভাপতি বলেন, আট দশমিক দুই শতাংশ জিডিপি অর্জন করা গেলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। প্রস্তাবিত বাজেটের কারণে বাজারে বেশিরভাগ দ্রব্যমূল্যের কোনো পরিবর্তন হবার সম্ভাবনা নেই। সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অব্যাহত সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি কিছু নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সরকার, সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুত্ খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের ফলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।
তিনি বলেন, ব্যক্তিগত করমুক্ত সীমা গত ৪ বছর ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। আমরা এই সীমা বৃদ্ধি করার দাবি জানাচ্ছি। ঠিকাদারী ও সরবরাহ বিলে উেস কর হ্রাস করা হয়েছে, অগ্রিম কর প্রদানের ক্ষেত্রে সীমা চার লাখ থেকে ছয় লাখ টাকা এবং এসএমই খাতে টার্নওভার ৩৬ লাখ থেকে ৫০ লাখে উন্নীত করা হয়েছে যা ইতিবাচক। হস্তশিল্প রপ্তানিকে করমুক্ত রাখার সময়সীমা পাঁচ বছর বৃদ্ধি করা হয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পে হ্রাসকৃত করহার সুবিধা অব্যাহত রাখা দেশের প্রধান রপ্তানি খাতকে উত্সাহিত করবে। এছাড়া সারচার্জের ক্ষেত্রে দুই কোটি ২৫ লাখ টাকার সীমা তিন কোটি টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেশীয় কৃষি যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র, চামড়াজাত পণ্য, গৃহস্থালী পণ্য ইত্যাদি কর অবকাশ সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে ডিভিডেন্ড হতে আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা, স্টক ডিভিডেন্ডের পরিবর্তে ক্যাশ ডিভিডেন্ডকে উত্সাহিত করার জন্য স্টক ডিভিডেন্ডের উপর ১৫ শতাংশ কর প্রদান পুঁজি বাজার উন্নয়নে সহায়ক হবে।
