'চীনা ঋণের চক্রে আটকা আফ্রিকান দেশগুলো'

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২২, ১৯:৪৪

আফ্রিকান দেশগুলো মনে করছে তারা চীনের ঋণের চক্রে আটকা পড়েছে। চীন আর্থিক সহায়তা দিতে অনীহা দেখানোর পরেই দেশগুলো এমনটি মনে করছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা চীনের এই পদক্ষেপকে উদ্বেগজনক প্রবণতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ফেদেরিকো গিউলিয়ানি ইনসাইড ওভারে এসব লিখেছেন।

রেনেসাঁ ক্যাপিটাল লিমিটেডের গ্লোবাল চিফ ইকোনোমিস্ট চার্লস রবার্টসন স্পষ্ট করে বলেছেন, চীনের পিছিয়ে যাওয়া এই অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি কমিয়ে দেবে সেইসঙ্গে বেশিরভাগ ঋণ বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরে নেবে। 

সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাংক সাহারা-নিম্ন আফ্রিকার (এসএসএ) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পর্যালোচনা করেছে। সেখানেও প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। এর একটি কারণ হিসেবে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির মন্দা এবং রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংকটকে উল্লেখ করা হয়েছে। 

রবার্টসনকে উদ্ধৃত করে ফেদেরিকো গিউলিয়ানি জানিয়েছেন, চীন যখন ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে তখন আফ্রিকা ২৫ শতাংশ ঋণ সংকটের উচ্চ ঝুঁকিতে ছিল কিন্তু এখন তা ৬০ শতাংশে পৌঁছেছে। 

২০০০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত যেসব আফ্রিকান দেশ চীনের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ঋণ নেয়- এর মধ্যে রয়েছে, অ্যাঙ্গোলা, ইথিওপিয়া, জাম্বিয়া, কেনিয়া, মিশর, নাইজেরিয়া, ক্যামেরুন, দক্ষিণ আফ্রিকা, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র এবং ঘানা। 

চীন লাখ লাখ আফ্রিকানের জীবন ধ্বংস করছে বলে বিশ্লেষকরা অভিযোগ করেছেন। কেননা এসব আফ্রিকান তাদের দেশের অবকাঠামোগত এবং সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য চীনের ওপর নির্ভরশীল

ইত্তেফাক/এসআর