রোববার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

দুবাইয়ে মরুভূমির বুকে একজোড়া হৃদয়

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২২, ১৩:০৩

পৃথিবীর বুকে বিলাসবহুল আর আকাশচুম্বি অট্টালিকার শহর হিসেবে পরিচিত দুবাই। ব্যবসায়িক দিক দিয়ে শীর্ষে থাকার পাশাপাশি ভ্রমণ প্রেমিক মানুষের পছন্দের তালিকায় প্রথমস্থানে নাম রয়েছে এই শহরের। সেই আকাশচুম্বি বুর্জখলিফার পাশে রয়েছে আরেক আশ্চর্য ‘লাভ-লেক’। যেখানে হাতছানি দিচ্ছে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য।

দুবাইয়ের আল কুদরার মরুভূমির বুকে দুইটি লাভ আকৃতিতে তৈরি দৃষ্টিনন্দন এ হ্রদ। দিন দিন ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে জনপ্রিয় ও অন্যতম পছন্দের জায়গায় পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৮ সালে দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম নিজের ইন্সট্রাগ্রাম একাউন্টে লেক এর ছবি আপলোড দেন। এরপর থেকেই ৫ লাখ ৫০ হাজার বর্গমিটারের বিশাল লেকটি পর্যটকদের পছন্দের জায়গায় স্থান করে নিয়েছে। দালানকোঠার শহরের বাইরে গিয়ে দুবাই থেকে বেশ কিছুটা দূরে আল কুদরার মরুভূমি পর্যটকদের এক নতুন ঠিকানা। যেখানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে মন কাড়া সৌন্দর্যের পসরা। তবে মরুভূমি নয়, এটি সবুজ শ্যামল মনোরম এক প্রাকৃতিক ঠিকানা।

অনেকেই ছুটে আসেন জায়গাটিতে

লেকটি দর্শনের আগে মরুভূমির পথে মাঝেমধ্যে উট ও হরিণের দেখা মিলবে। প্রবেশস্থল থেকে শুরু করে সব জায়গায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভালোবাসার প্রতীক। লেকের নীলচে সবুজ পানিতে সার্বক্ষণিক খেলা করে অসংখ্য রঙিন মাছ। তবে পাখির চোখেই সবচেয়ে আকর্ষণীয় দেখায় কৃত্রিম হ্রদটি। ইতোমধ্যে ভ্রমণ পিপাসুরা একটু প্রশান্তির খোঁজে অবসর কাটাতে শহর ছেড়ে অনেকেই ছুটে আসেন জায়গাটিতে।

লেকের বিভিন্ন স্পটে রাতভর চলে বারবিকিউ পার্টির উন্মাদনা। বন্ধুদের আড্ডায় রাত শেষে দেখা মেলে ভোরের সূর্যোদয়েরও। চারিদিকে নানা রংয়ের ফুল, পশুপাখির কলকাকলি যে কারো মনকে নিমিষেই মিশিয়ে দেয় প্রকৃতির সঙ্গে।

ভ্রমণপ্রেমিক বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের-ইউএই তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইশতিয়াক আসিফ বলেন, কৃত্রিম ভাবে তৈরি আল কুদরা লেকে প্রবাসীরা ছুটে আসে একটু প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে। অনেক প্রবাসীরা প্রিয়জনদের নিয়ে ঘুরতে আসেন।

দুবাই শহর থেকে বেশ কিছু দূরে কৃত্রিম এই লেকে বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখি এবং লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটির দিনে বা অবসর সময় কাটাতে এখানে আসেন। এক কথায় পুরো লেকটা সাজানো হয়েছে ভালোবাসার সব প্রতীক দিয়ে।

ইত্তেফাক/এসসি