দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালায় সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ফের যানবাহনে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাত দল গাড়ির যাত্রীদের মোবাইল ফোন, নগদ টাকাসহ মালামাল লুট করে।
এদিকে ডাকাতের ব্যারিকেড ভেঙে পালিয়ে আসা সিএনজি অটোরিকশা ও মিনি ট্রাকের সামনের গ্লাস ডাকাতদল ভেঙে দেয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী সূত্র জানায়, কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কটি হিমছড়ি ঢালা স্থানে দীর্ঘদিন রাতে-দিনে ডাকাতি হয়ে এসেছে। রামু ও কক্সবাজার সদরের সীমানায় পড়া এ স্থানটি পাহাড়ের মাঝখানে হওয়ায় ডাকাতির পর দুর্বৃত্তদল গহীন বনে ঢুকে যায়। তাই ডাকাতি বন্ধে দুই থানার দুটি টহলদল সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতো। এতে ওইস্থানে ডাকাতি একপ্রকার বন্ধ হয়। কিন্তু করোনাকালে পুলিশ টহল বন্ধ হয়ে যায়। তবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে সশস্ত্র ডাকাতদল একটি পিকআপ ভ্যান ও দুটি সিএনজি অটোরিকশাকে গতিরোধ করে ডাকাতির চেষ্টা চালায়। পরে গাড়িগুলো পালাতে সক্ষম হয়। কিন্তু ডাকাত দল হামলা করে গাড়ির গ্লাস ভেঙে যায়।
তারা জানায়, প্রথম দুটি গাড়ি পালাতে পারলেও অপর একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ডাকাতের কবলে পড়ে এবং যাত্রীদের মোবাইল, নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কবির বলেন, সিএনজি চালিত অটোরিকশায় ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে শুনে তড়িৎ অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থলে ডাকাত কবলিত একটি সিএনজি পাওয়া যায়।
বন্ধ থাকা পুলিশ চেকপোস্ট ও টহল শুক্রবার সকাল হতে আবারও সচল করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে ওসি জানান, স্থানীয় ও পথচারীরা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে ডাকাত ও ডাকাতি প্রতিরোধ সম্ভব।
সম্প্রতি একই এলাকায় ডাকাতের গুলি ও দায়ের কোপে রাজ নামে এক কলেজছাত্র ও কণ্ঠশিল্পী নিহত হয়েছিলেন।
