সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা চালু হয়নি গোপালগঞ্জের পাঁচটি হাসপাতালে। সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ‘অ্যান্টিভেনম’ এসব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়নি। তাই ঐ পাঁচটি হাসপাতালে সাপে কাটা রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছেন না।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সারাদেশের জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন সরবরাহ করা হয়। কিন্তু গোপালগঞ্জ জেলার পাঁচটি হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন আনা হয়নি। ফলে প্রতিনিয়ত সাপে কাটা রোগী পুরোনো কুসংস্কারপূর্ণ ওঝার ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর করে প্রাণ হারাচ্ছে।
গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, সাপে কাটা রোগীকে এই ইনজেকশন প্রয়োগ করতে ডাক্তারদের অনীহা রয়েছে। কারণ সাপে কাটা অধিকাংশ রোগী হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। সময়মতো হাসপাতালগুলোতে না আনায় অনেকে মৃত্যুবরণ করেন। হাসপাতালে রোগী মারা গেলে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ঝামেলা করেন। সেই সঙ্গে এই ইনজেকশন অধিক মজুত রাখা যায় না। বেশি দিন থেকে গেলে নষ্ট হয়ে যায়। ইতিমধ্যে আমরা এ চিকিৎসা শুরুর ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছি। চিকিত্সকসহ অন্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এখানে মাস্টার ট্রেইনার সৃষ্টি করা হয়েছে। তারা এই চিকিৎসা দিতে এখন প্রস্তুত। তাই ২০০ অ্যান্টিভেনম ইনজেকশনের চাহিদার চিঠি দিয়েছি। এগুলো হাতে পেলে জেলার সব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হবে।
