বাজারে আজকাল নানা ধরনের ফেস মাস্ক পাওয়া যায়। ত্বকের জেল্লা ফেরাতে এসব মাস্কের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু অনেকেই না বুঝে ফেস মাস্ক কেনেন। তাতে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল তো পাওয়াই যায় না, উলটো ত্বকের ক্ষতি হয়।
সেজন্য ত্বক বুঝে ফেস মাস্ক খরিদ করতে হবে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন ধরনের ত্বকে কেমন ফেস মাস্ক মানানসই -
তৈলাক্ত ত্বকে পিল অফ মাস্ক
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এই ধরনের মাস্ক আদর্শ। মূলত এই মাস্ক অনেকটা জেলের মত। মুখে ভালোমতো লাগিয়ে পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর টেনে তুলে নিন। খেয়াল করবেন আপনার ত্বকের জেল্লা ফিরে এসেছে। তৈলাক্ত ত্বকে চারকোল মাস্কও ব্যবহার করতে পারেন।
আর্দ্রতা ফেরাতে স্লিপ মাস্ক
নাম দেখেই বুঝতে পারছেন এটি ওভারনাইট মাস্ক। এই মাস্ক মুখে লাগিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুম দিন। এই মাস্ক আপনার ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে দিবে।
রোদে পোড়া ত্বকে বাবল মাস্ক
লাগানোর আগে ঠিক সাধারণ মাস্ক বলেই মনে হয়। কিন্তু লাগানোর পর চমকে উঠবেন। মুখে লাগাতেই সাবানের ফেলার মত ফুলে ফুলে উঠছে এই মাস্ক। এজন্যেই একে বাবল মাস্ক বলে। বাবল মাস্ক ত্বকের রোমকূপে ঢুকে নোংরা বের করতে সিদ্ধহস্ত। এই মাস্ক ত্বকে পুষ্টিরও জোগান দেয়। যেকোনো রোদে পোড়া ত্বকেও এই মাস্ক কার্যকরী।
সব ধরনের ত্বকের জন্য শিট মাস্ক
ত্বকে দ্রুত জেল্লা ফেরাতে এই মাস্কের জুড়ি নেই। দেখতে অনেকটা পাতলা কাপড়ের মত। মাস্কে আগে থেকেই সিরাম মেশানো থাকে। ফলে ত্বকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জোগান নিশ্চিত হয়। যেকোনো ধরনের ত্বকে নির্দ্বিধায় এই মাস্ক ব্যবহার করা যায়।
মনে রাখবেন, যে মাস্কই ব্যবহার করুন না কেন, ব্যবহারের আগে ত্বক ভালোমতো পরিষ্কার করে নিতে হবে। তা না হলে কোনো সুফল দৃশ্যমান হবে না।

রূপচর্চায় কয়লার ব্যবহার
শীতে ত্বকের পরিচর্যায় তুলসি