সাইফুল ইসলাম জুয়েল-এর
‘ইন্ডিয়া মে কিয়া চলরারাহে?’ ভারতের একটি বিজ্ঞাপনের বহুল আলোচিত লাইন এটি। যেন এই লাইনটি অনুসরণ করেই হিরুকে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘বিলেত মে কিয়া চলরারাহে?’
হিরুরও সহজ-সরল উত্তর, ‘বৃষ্টি।’
‘বৃষ্টি!’ ফোনের ওপাশের প্রশ্নকর্তা এবার চমকে উঠলেন। ‘এই বৃষ্টি আবার কোন বালিকা?’
‘এই বৃষ্টি কোনো বালিকা নয় দাদু।’ মুচকি হেসে বলল হিরু। ‘তবে স্বভাব কিছুটা বালিকাদের মতোই! একবার পিছু লাগলে আর ছাড়ে না!’ শেষের কথাটা ও নিজ মনেই বলল।
হিরুর দাদু ফের পাল্টা প্রশ্ন করলেন, ‘বৃষ্টি বালিকা নয়, তাহলে কি বালক! কী জানি বাপু, বিলেত দেশের আজব কাজকারবার! কীসব নামই না রাখে! উড মানে তো তক্তা (কাঠ)। রুট মানে তো মূল (শিকড়), বর্গমূলও হয়। আবার গান (মরগান) মানে তো পিস্তল। একসময় জানতাম ওক একটি গাছ, এখন শুনি মানুষের নামও (ওকস)। এই বৃষ্টি আবার কোনো খেলোয়াড় নাকি রে হিরু? বিলেত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তবে, এখনো নামটা আমার কানে পৌঁছাল না...’ ওপাশের লোকটাকে এবার একটু কনফিউজড মনে হলো।
হিরু এবার একটু চেঁচিয়ে উত্তরটা দিল, ‘দাদু, এটা কোনো মানুষের নাম নয়। ইংল্যান্ডে এখন বৃষ্টি চলছে। বৃষ্টি!’
‘কী?’ ফের ওপাশ থেকে প্রশ্ন।
হিরু এবার নরম স্বরে জবাব দিল, ‘দেওই!’
এবারে ওপাশের কলার চুপ। তার কাঙ্ক্ষিত জবাব পেয়ে গেছেন। গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ লোকেরা, বৃষ্টি চেনে না, দেওই চেনে! ঠিক যেমন বালিকারা মন বোঝে না, আবেগ বোঝে!
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডে কি এখন ক্রিকেট বিশ্বকাপ চলছে, নাকি বৃষ্টি? যা খেলার তা তো বৃষ্টিই খেলছে!
হিরু এতক্ষণে ফোনে তার এক দূর সম্পর্কের দাদুর সঙ্গে কথা বলছিল। বিশ্বকাপ খেলা দেখতে ইংল্যান্ডে এসে বসে আছে। এক শহর থেকে আরেক শহরে দৌড়াচ্ছে। এক স্টেডিয়াম থেকে আরেক স্টেডিয়ামে। কিন্তু খেলা দেখতে পারছে কই! বৃষ্টিতে একটার পর একটা ম্যাচ হচ্ছে পরিত্যক্ত। খেলা দেখার সময়টা ভিনদেশে বসে হিরু এই দেশীয় মানুষজনের সাথে ফোনালাপেই কাটিয়ে দেয়। কাছের মানুষজনের সাথে যখন তার ফোনে আর কিছু বলার থাকে না, তখন দূরের লোকজনকেও (ফোনে) কাছে টেনে নেয় সে। একইসঙ্গে, সে যে ইংল্যান্ডে এসেছে, এই বার্তাটাও দিয়ে রাখে আর কী!
দূর সম্পর্কের দাদুর সাথে কথা বলা শেষে হিরু লন্ডনের রাস্তায় বের হলো। কী আর করা, বৃষ্টিতে খেলা পণ্ড হলেও তো আর রুমে বসে থাকা যায় না! তাছাড়া, সেখানকার রাস্তাঘাট বৃষ্টির পানি জমে (ঢাকার মতো) পন্ড (পুকুর) হয় কি না, তা দেখার একটা সুপ্ত বাসনাও তো মনের ভেতরে কাজ করে!
হাঁটতে হাঁটতে দেশের আরেকজনকে ফোন দিল ও। সাথে সাথে ওপাশ থেকে ভর্ত্সনা বাক্য ভেসে এলো, ‘কিরে, বিলেত বসে মশা মারিস?’
‘এখানে তোদের দেশের ওই জঘন্য প্রাণীটা নাই!’
‘তোদের দেশ মানে! তুই কি আবার বিলেতি হয়ে গেলি নাকি?’
হিরু প্রশ্নটা এড়িয়ে গেল। বলল, ‘জানিস তো, অস্ট্রেলিয়া ব্রাজিলকে হারিয়ে দিয়েছে?’
‘তুই কি আমাকে আবুল পেয়েছিস? ক্রিকেট বিশ্বকাপে ব্রাজিল আসবে কোত্থেকে?’
‘এটা ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফলাফল—এটা তোকে কখন বললাম?’
‘তাহলে?’
‘ফুটবল বিশ্বকাপের।’
‘হেঃ হেঃ হেঃ! তুই আমাকে সত্যিই তোর মতো আবুল ভেবেছিস! ফুটবল বিশ্বকাপ তো গত বছর হলো। কী ভাবছিস, আমি এসবের খোঁজ রাখি না?’
‘পাশের দেশ ফ্রান্সে বসেছে নারী ফুটবল বিশ্বকাপের আসর। ইংল্যান্ডও সেদিন জিতেছে স্কটল্যান্ডের সাথে। সবগুলো ম্যাচ আমি স্টেডিয়ামে বসে দেখেছি।’ শেষের বাক্যটা হিরু চাপা পেটানো বাবদ বলে ফোনটা রেখে দিল।
পাশে তাকিয়ে দেখে এক বিদেশি অবাক দৃষ্টিতে হিরুর দিকে তাকিয়ে আছে। হিরু ইংরেজিতে তার কাছে জানতে চাইল, ‘কিছু বলতে চান কি?’
লোকটা আধো আধো বাংলায় বলল, ‘তোমরা বাঙালিরা বহুত চালাক আছ!’
‘হেঃ হেঃ, এ আর নতুন কী!’ হিরু স্বগতোক্তি করল।
লোকটা ফের বলল, ‘দুঃখিত আমার পরিচয় দেওয়া হয়নি, আমি ফার্ডিন্যান্ড। ইউকের প্রতিবেশী দেশের নাগরিক!’
‘চান্দু, তুমিও বহুত চালাক আছ! নতুবা দেশের নামটি বললে না কেন!’ হিরু ফের মনে মনে বলল। তারপর লোকটাকে তার পরিচয় দিল।
এবার ফার্ডিন্যান্ড লোকটা বলল, ‘তোমরা পৃথিবীর প্রায় সবকিছুরই খোঁজ রাখ। ফ্রান্সে বিশ্বকাপ ফুটবল হচ্ছে—এই খবর ইউরোপের কয়টা দেশইবা রাখে বলো! অথচ ব্যাপারটা তোমার নখদর্পণে। তারপর দেখো—এই দেশে ক্রিকেট বিশ্বকাপ হচ্ছে। অথচ সেদিন তোমাদেরই প্রতিবেশী এক দেশের ধারাভাষ্যকারের টুইট বার্তায় জানলাম—তিনি নাকি এদেশে বসে তাঁর হোটেল কক্ষের টিভিতে শতাধিক চ্যানেল খুঁজেও ক্রিকেট ম্যাচ সম্প্রচার করছে—এমন কোনো চ্যানেল খুঁজে পাননি! ব্যাপারটা সত্যিই হতাশার!’
হিরুও ব্যাপারটা জানে। তবুও চুপ করে রইল। আসলে লোকটা কী বলতে চায়, তা জানা দরকার।
লোকটা ফের বলতে শুরু করল, ‘তোমরা কী করেছ জানো?’ তারপর হিরুর মতামতের উপেক্ষা করে নিজেই বলতে লাগল, ‘একসময় আমাদের দেশে পুলিশ তো বটেই, এমনকি আসামিরাও খুবই সহজ-সরল ছিল। পুলিশ যদি আসামি ধরে শুধু তাদের হাত বেঁধে বসিয়ে রাখত, আসামি পালিয়ে যেত না। অথচ, তোমরা কিনা তাদের শেখালে ‘হাত বাঁধা তো সমস্যা কি, পা-তো খোলা। দৌড়ে পালাতে গেলে, হাত নয়, পা-ই দরকার!’ তোমাদের এই বৃদ্ধি পেয়েই আমাদের দেশের ছিঁচকে অপরাধীরা এখন আরো বেশি অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠেছে! তাদের ধরতে পুলিশের এখন গলদঘর্ম হতে হয়।’
হিরুর ফার্ডিন্যান্ডকে খুব পছন্দ হলো। সে অফার করল, ‘চলো, চা খাই।’
ফার্ডিন্যান্ড হতাশার সুরে বলল, ‘এই দেশে চা! এরা চা খায় না বললেই চলে! দেখো কী কাণ্ড—ব্রিটিশরা তোমাদের চা খাওয়া শেখানোর জন্য কত কায়দাই না করল। বলতে পার, তোমাদের মতো চালাক বাঙালিকেও তারা ঘোল থুড়ি চা খাইয়ে ছেড়েছে! এখন তোমরা দেদারসে চা গিলছ, আর তারা...?’
হিরু বলল, ‘এতে তারা আমাদের ধন্যবাদই পাবার যোগ্য।’
‘কেন? কেন?’ ফার্ডিন্যান্ড অবাক।
‘খেলার মাঠে না পারলেও আমরা চায়ের কাপে ঠিকই ঝড় তুলতে পারি!’
ফার্ডিন্যান্ডকে বিদায় জানিয়ে কিছুদূর এগিয়ে একটা বাসস্ট্যান্ডে আসতেই হিরু একদল বাঙালিকে দেখতে পেল। একেকজন একেক সাইজের। কেউ মোটা, কেউ চিকনা, কেউ লম্বা তো কেউ বেটে। তারা সকলে ট্যাক্সির জন্য দাঁড়িয়ে আছে। হিরুও এখান থেকে ট্যাক্সি নেবে বলে আগে থেকেই ভেবে রেখেছে।
একজন বলল, ‘আমরা এখানে প্রত্যেকেই সিঙ্গেল গ্রুপে যাচ্ছি। সবাই শেয়ারে ট্যাক্সি নিলে কেমন হয়? খরচ কম পড়বে!’
‘বাঙালি বুদ্ধি!’ হিরু বিড়বিড় করে বলল।
এক ব্রিটিশ ক্যাব চালক এসে গাড়ি থামাল। ওদের দলটাকে লক্ষ করে বলল, ‘তোমরা বাঙালিরা এক আজিব জাতি! তোমাদের ‘সাইজ’ মেলানো ভার!’
সকলে ট্যাক্সিতে উঠতে গাড়ি ভরে গেল। এই অবস্থায় আরেকজন এসে হাজির। তারও গন্তব্য একই। হিরু তাকেও উঠতে বলল।
একজন যাত্রী একটু গাঁইগুঁই করে উঠল, ‘জায়গা নাই। পরেরটাতে আসেন।’
হিরু বলল, ‘একটু চেপে বসুন না। উনিও বসতে পারবেন তাহলে।’
‘বিলেতে এসেও চাপাচাপি!’ লোকটা মহাবিরক্ত।
হিরু স্মিত হেসে বলল, ‘দেশে তো ঠিকই দশজনের গদিতে চাপাচাপি করে বারোজন বসেন। তো এখানে সমস্যা কী?’
‘বিলেত আর দেশ কি এক হলো?’
‘তা ঠিক বলেছেন অবশ্য, বিলেত কত উন্নত, আর আমাদের দেশের অবস্থা দেখেছেন? এখানকার মানুষের মুখের কথায় জাদু আছে। এই তো গত এপ্রিলের ঘটনা। ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা ইয়ান কগনিটো তাঁর এক কমেডি শোতে কথায় কথায় বলেছিলেন, ‘ধরুন আমি যদি মরে যাই’, এর কিছুক্ষণ পরেই তিনি মুখ থুবড়ে পড়ে গেলেন। দর্শকরা মিনিট পাঁচেক ধরে ক্রমাগত হেসেই চলল। অনেকক্ষণ পরে শো’র পরিচালকের সন্দেহ হওয়াতে তিনি পরীক্ষা করে দেখেন সত্যিই মারা গেছেন এই শিল্লী! এদেশের খেলাপাগল দর্শকদের দেখেছেন তো? নিজ দেশ নিয়ে তাদের সে কী উন্মাদনা! আর আমরা একটু এদিক-সেদিক হলেই সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠি!’ এভাবে ইংল্যান্ডের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হিরু।
এক যাত্রী হঠাত্ বলে উঠল, ‘ভাই, এখানে স্থায়ী সিটিজেনশিপ নেওয়ার ধান্দায় আছেন নাকি? এভাবে নিজ দেশ ছেড়ে পর দেশের স্তুতি...!’
হিরু তবুও থামল না। ইংল্যান্ডকে নিয়ে তার প্রশংসাবাক্যে গাড়ির সমস্ত যাত্রী অতিষ্ঠ হয়ে উঠল। শেষে তারা সবাই যখন কানে তুলা গুঁজল, তখন হিরু ড্রাইভারকেই নিশানা বানাল, ‘ভাই, আপনি কিন্তু চাইলে এভাবে আলাদা আলাদা, অর্থাত্ কেউ কাউকে চেনে না, এমন অপরিচিত একাধিক যাত্রীকে আপনার ক্যাবে তুলতে পারেন!’
লোকটা লাজুক মুখে হেসে বলল, ‘তাই হয় নাকি! না চিনলে যাত্রীরা উঠতে যাবে কেন?’
‘আমরা যে কারণে উঠেছি! প্রত্যেকেরই খরচ কমে গেল না!’
‘ভালো বুদ্ধি দিয়েছেন তো!’ ক্যাব চালক উচ্ছ্বসিত।
হিরু বক্র হাসি হেসে বলল, ‘তবে, সাবধান! এই ট্রিক শুধু বাঙালিদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।’
‘সমস্যা নাই। এই দেশে প্রচুর বাঙালি আছে!’ ক্যাব চালক এরমধ্যে হিরুর বুদ্ধিতে মজে গেছে।
‘আরেকটা বিষয়, ধরুন, একটা গাড়িতে পাঁচজনের সিট। বাঙালি যাত্রী পেলে আপনি সেখানে অবলীলায় ছয়জন তুলতে পারবেন। চেষ্টা করলে সাতজনও...’
হিরুর কথা শেষ হওয়ার আগেই চালক বলল, ‘এটা কিভাবে সম্ভব? গাড়িতে এত লোকের জায়গায় কই?’
হিরু মুচকি হেসে বলল, ‘বাঙালিদের অভ্যেস আছে। ঠিক এঁটে যাবে।’
ক্যাবের অন্যান্য যাত্রীরা এতক্ষণে কানে তুলো গোঁজার ভান করলেও হিরু আর ক্যাব চালকের পুরো কথোপকথনই শুনেছে। ক্যাবটি গন্তব্যস্থলে আসার পরে তাদের একজন বলেই বসল, ‘আপনি মশাই আস্ত ব্রিটিশ!’
গন্তব্যে এসে সবাই স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে ঢুকল। একসাথে যেহেতু এসেছে, এখান থেকে কেউ আর আলাদা হয়নি। ঢোকার পূর্ব মুহূর্তে অন্যরা বাংলাদেশের পতাকা, প্ল্যাকার্ড কিনলেও, হিরু কিনে নিল ইংল্যান্ডের প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন!’
‘লোকটা আস্ত ব্রিটিশ!’ অন্যরা হাঁটতে হাঁটতে নিজেদের মধ্যে ফিসফিসিয়ে বলল।
এবারে হিরু ধৈর্যহারা হয়ে পড়ল। ‘আপনারা মিছে মিছেই আমাকে দোষারোপ করছেন! আমার ইংল্যান্ডের প্ল্যাকার্ড কেনার ভিন্ন উদ্দেশ্য আছে!’
‘সে তো আমরা জানিই—পি আর!’
‘জি না। শোনেন তাহলে—উদ্বোধনী ম্যাচে আমি সাউথ আফ্রিকার সাপোর্ট নিয়েছিলাম। সে ম্যাচে কী হলো? ব্রিটিশরা জিতে গেল। ইংল্যান্ড-পাকিস্তান ম্যাচে নিলাম ইংল্যান্ডের সাপোর্ট। পাকিস্তান জিতে গেল। তারপর, বাংলাদেশ-ইংল্যান্ডর ম্যাচে...’
‘সেই ম্যাচে আপনি জেনে-বুঝেই বাংলাদেশের প্ল্যাকার্ড কিনে স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে ঢুকেছিলেন, আর বাংলাদেশ হেরে গেল, তাই তো?’
হিরু পুরাই আবুল হয়ে গেল। শত বলেও সে তাদেরকে বোঝাতে ব্যর্থ হলো—বাংলাদেশের জায়গায় অন্য দলের সাপোর্ট সে কী করে করে?
আকাশ মেঘে ঢাকা। পিচও ঢাকা। থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার খেলাটা আর হলো না সেদিন। খেলা যেহেতু হচ্ছে না—সবাই গালগল্প করেই সময় কাটাতে লাগল। পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ‘গার্ল’ গল্পের টপিক হলো কোনো পুরুষ, হিরু! সবাই ধরে নিয়েছিল—বাংলাদেশ আজ জিতবেই। কিন্তু বৃষ্টি এসে বাগড়া দেওয়াতে একটা ‘নিশ্চত’ পয়েন্ট হারাতে হলো। তাদের মতে—এর একমাত্র কারণ ‘ব্রিটিশ’ হিরু! আজ সে শ্রীলঙ্কার প্ল্যাকার্ড কিনলে বাংলাদেশ জিততো; অন্যদিকে, বাংলাদেশেরটা কিনলে বাংলাদেশ নাহয় হারতোই! এভাবে পয়েন্ট তো হারাতে হতো না! হিরু ব্রিটেনের প্ল্যাকার্ড কিনেছে বলেই না...!
সবাই ধরে নিল—এর সবই হিরু করেছে জেনে বুঝে। ইংল্যান্ডে স্থায়ী নাগরিকত্ব লাভের জন্য।
স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের গ্যালারীতে, খোদ ব্রিটেনের বাঙালি কমিউনিটিতে এমনকি দেশেও ছড়িয়ে পড়ল হিরুর এই ‘ব্রিটিশ’ হয়ে ওঠার কাহিনি! g
