বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বাগমারায় এসিল্যান্ডের পদ শূন্য

জমেছে জমি খারিজের প্রায় ২ শতাধিক আবেদন!

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২২, ১০:২২

বাগমারায় সহকারি কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড পদটি দুইমাস ধরে শূন্য রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সেবাগ্রহীতারা।

তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি এসিল্যান্ডের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু তিনি দাপ্তরিক কাজের ব্যস্ততার জন্য এসিল্যান্ডের দায়িত্ব পালন করতে হিমসিম খাচ্ছেন।

সম্প্রতি নামজারি খারিজের জন্য আসা গোয়ালকান্দির আবেদ আলী জানান, তিনি একখণ্ড জমি খারিজের জন্য দুই মাস আগে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু এসিল্যান্ড না থাকায় নামজারি হচ্ছে না। জমিটি খারিজ না হওয়ায় বিক্রি করতে পারছেন না।

একই অভিযোগ ভবানীগঞ্জ পৌরসভার সেবাগ্রহীতা কৃষক বেলাল হোসেন ও শিক্ষক জাবেদ আলী।

তারা জানান, বাড়ি নির্মাণের জন্য পৌরসভায় প্লান পাশের আবেদন করেছেন। কিন্তু খারিজ না হওয়ায় তারা প্লান পাশের আবেদন করতে পারছেন না। তারা প্রায় প্রতিদিন এসিল্যান্ড অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান হচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসিল্যান্ড অফিসের এক কর্মচারী জানান, এ পর্যন্ত জমি খারিজের জন্য প্রায় দুইশতাধিক আবেদন জমা পড়ে আছে। এছাড়া প্রায় শতাধিক মিস কেসের আবেদন জমা পড়ে আছে। কিন্তু এসিল্যান্ড না থাকায় কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে না। এখানে ইউএনও এসিল্যান্ডের দায়িত্বে থাকলেও বিশাল উপজেলা হওয়ার কারণে একি সাথে দুই অফিসের দায়িত্ব সামলানো মুস্কিল হয়ে পড়েছে। এতে এসিল্যান্ড অফিসে আসা সেবাগ্রহীতাদের সেবা প্রাপ্তিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে নবাগত ইউএনও এ এফ এম আবু সুফিয়ান বলেন, আমি নতুন এসেছি। উভয় দপ্তরের কাজ সামলাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে বিশাল উপজেলা হওয়ার কারণে এখানে সত্তর এসিল্যান্ড প্রয়োজন। বিষয়টি উদ্ধর্তন কর্র্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

ইত্তেফাক/আরএজে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন