বিক্ষোভের মুখে পিছু হটল হংকং সরকার

আপডেট : ১৬ জুন ২০১৯, ০১:০৮

ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে অবশেষে বহি:সপর্ণ বিল স্থগিত করলো হংকং সরকার । গতকাল হংকংয়ের নেতা ক্যারি ল্যাম এক সংবাদ সম্মেলনে বিলটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দেন। যদিও বিড়্গোভকারীরা বিলটি সম্পূর্ণরূপে বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তারা ল্যামের পদত্যাগের দাবিতে আজ বিড়্গোভের ডাক দিয়েছেন। খবর রয়টার্সের

প্রস্তাবিত বহি:সমর্পণ বিল অনুযায়ী, অপরাধীদের চীনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। চীন এই প্রস্তাবে সমর্থন দেয়। কিন্তু সাধারণ মানুষ এটা মেনে নিতে পারেনি। এক সপ্তাহ ধরে হংকংয়ে বিড়্গোভ চলছে। গত রবিবারের বিক্ষোভে প্রায় দশ লাখ লোকের সমাগম ঘটে বলে বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছিলেন। ১৯৮৯ সালের ৪ জুন বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কোয়ারে বিড়্গোভের পর এটাই সবচেয়ে বড় বিড়্গোভ বলে ধারণা করা হয়। বিক্ষোভকারীদের দমন করতে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান নিক্ষেপের ঘটনা ঘটলেও তারা পিছু হটেননি। তারপরও ক্যারি ল্যাম দাবি মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং বিলটি পাস করার অঙ্গীকার করেন। এরপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বিক্ষোভ চালানোর অঙ্গীকার আসে। শেষ পর্যন্ত্ম পিছু হটতে বাধ্য হলেন ক্যারি ল্যাম। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘গত দুই দিনে অভ্যন্ত্মরীণ দাবির কারণে আমি বহি:সমর্পণ বিল স্থগিত করছি। এখন আমরা সমাজের সবার সঙ্গে যোগাযোগ রড়্গা করবো, সবার মতামত নেওয়া হবে ও আলোচনা করা হবে’।

কতদিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে ল্যাম বলেন, অনির্দিষ্টকালের জন্য। রাজনৈতিক বিরোধীরা বিলটি পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। বিক্ষোভের আয়োজকরা জানিয়েছেন, তারা ক্যারি ল্যামের পদত্যাগের দাবিতে রবিবার বিড়্গোভ করবেন। ১৯৯৭ সালে হংকংকে চীনের কাছে হসত্মান্ত্মরের পর এই প্রথম কোনো নেতা এতটা চাপের মুখে পড়লেন। হংকংয়ের শাসন ড়্গমতা পরিচালনায় ক্যারি ল্যামের ব্যর্থতাই ফুটে উঠেছে।