২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, বাজেটে জনগণের মালিকানা নেই, সেজন্য দলীয়ভাবে আমরা এই বাজেট সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করছি। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাজেট সম্পর্কে দলীয় প্রতিক্রিয়া জানাতে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. কামাল বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কী ভালো-মন্দ আছে তা জনগণকে জানানো খুবই দরকার। কারণ ক্ষমতার মালিক দেশের জনগণ। বাজেট দিয়ে জনগণ সরকারের কাজকে মূল্যায়ন করতে পারে। জনগণের স্বার্থকে বিবেচনা করা হয়েছে কি না, অথবা উপেক্ষা করা হয়েছে কি না তা জানতে পারে।
গণফোরাম ও বিএনপি বাজেট প্রত্যাখ্যান করেছে, তাহলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টও এই বাজেট প্রত্যাখ্যান করছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল বলেন, অবশ্যই, তারাও প্রত্যাখ্যান করেছে, আমরাও করছি। তাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা করবো, আগামীতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায় সেটা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাজেট সম্পর্কে দলীয় বক্তব্য ও বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি বলেন, এটা জনগণের বাজেট নয়, এটা কয়েকটা শক্তিশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর জন্য। এই বাজেট জনগণের ক্ষতি করবে এবং দেশকে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় নিয়ে যাবে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।
আওয়ামী লীগের ১৯৯৬ সালের সরকারের অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া বলেন, এই বাজেট একটি অদূরদর্শী ও দুর্বলভাবে প্রণীত, যাতে দেশের প্রকৃত সমস্যা মোকাবেলার কোনো চেষ্টা নেই। বর্তমানে যারা দেশকে লুটেপুটে খাচ্ছে এবং অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করছে, তাদের সুবিধার জন্যই এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ও অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মহসিন রশিদ, আ ম সা আমিন, জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোশতাক আহমেদ, আমিন আহমেদ আফসারী, লতিফুল বারী হামিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
