ইংল্যান্ডের সামনে ‘অচেনা’ সেনেগাল

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৫২

আজ দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও সেনেগাল। একে অন্যের কাছে একেবারেই অচেনা এই দুই দল। এর আগে  কখনোই ফুটবলে একে অন্যের মুখোমুখি হয়নি ইংল্যান্ড ও সেনেগাল। তবে আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে চেনার জন্য মুখোমুখি সাক্ষাতের দরকার হয় না। ল্যাপটপে ম্যাচ বিশ্লেষণ করেই প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা-দুর্বলতা জানা যায়। সেই গবেষণা নিশ্চিতভাবেই চালিয়েছেন ইংলিশ কোচ টিম সাউথগেট ও সেনেগাল কোচ আলিউ সিসে।

ফিফা র‍্যাংকিং, দলীয় শক্তিমত্তা, ফুটবল ঐতিহ্য-সব দিক থেকেই এগিয়ে ইংল্যান্ড। তবে সেনেগালের আছে হার না মানা মানসিকতা। এই দৃঢ় চেতা মানসিকতার জোরেই গ্রুপের শেষ ম্যাচে এগিয়ে থাকা ইকুয়েডরকে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো শেষ ষোলোতে পা রেখেছে আফ্রিকার দেশটি। ২০০২ সালে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে রূপকথার গল্প লেখার অন্যতম নায়ক ছিলেন আলিউ সিসে। তিনি ছিলেন সেই দলটির অধিনায়ক। সেই সিসে এবার কোচের ভূমিকায়। কাজেই সিসে খুব করে চাইবেন, নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের কীর্তিকে কোচ হিসেবেও ছুঁয়ে ফেলার। অন্যদিকে শিরোপার দাবি নিয়ে কাতারে আসা ইংলিশদেরও চাওয়া থাকবে একটাই।

সেই চাওয়া কার পূরণ হবে, সেটি আজ রাতেই জানা যাবে। তবে তার আগে দুই অচেনা প্রতিপক্ষের মধ্যে শুরু হয়ে গেছে কথার লড়াই। প্রতিপক্ষকে মানসিকভাবে বিগরে দেওয়ার এই অস্ত্রটা প্রথমে ব্যবহার করেছে সেনেগাল। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসে দলটির গোলরক্ষক আলফ্রেড গোমিস তোপ দাগিয়েছেন ইংল্যান্ডকে। সরাসরি ইংল্যান্ডের নাম অবশ্য তিনি নেননি।  তবে আকারে-ইঙ্গিতে ইংলিশদের অহমে আঘাত করে বলেছেন, ‘ইউরোপের দলগুলো তো ভাড়া করা খেলোয়াড় দিয়ে খেলায়। আমরা ভাড়া করা খেলোয়াড়দের নিয়ে খেলি না। আমাদের দলে আমরা সবাই সেনেগালের।’ কোচ আলিউ সিসে আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেছেন, ‘আফ্রিকার দেশগুলো এখন যেকোনো দলের চোখে চোখ রেখে খেলতে পারে।’ মানে সিসে মাঠে নামার আগে একটা হুমকিই যেন দিয়ে রাখল ইংল্যান্ডকে। ইংলিশরা নিশ্চয় প্রতিপক্ষের এই হুমকিতে কাতর নয়।

 

ইত্তেফাক/ইআ