বাজেটে অসহায় রোগীদের জন্য কী আছে?

আপডেট : ১৬ জুন ২০১৯, ২১:৫৪

অসহায় রোগীরা হাসপাতালে এসে শয্যা খালি না পেয়ে মেঝেতে থাকতে বাধ্য হয়। ৪০০ শয্যার সরকারি হাসপাতালে ১২০০ রোগী ভর্তি হয়ে ৮০০ জন মেঝেতে থাকে। অন্যদিকে সরকারি চিকিত্সকদের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ের যথেষ্ট সংখ্যক বিশেষজ্ঞ আছেন। কিন্তু তা  সত্ত্বেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে­ক্স থেকে শুরু করে নতুন মেডিক্যাল কলেজগুলোতে সেসব বিষয়ের কনসালটেন্ট ও অধ্যাপক পদ না থাকায় এবং পদায়ন না করায় রোগীরা উন্নত চিকিত্সা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে­ক্স এবং জেলা সদর হাসপাতালে নেফরোলজি, নিউরোলজি, এন্ডোক্রাইনোলজি, গ্যাস্ট্রোঅ্যান্টারোলজি ইত্যাদি এবং শল্য চিকিত্সার কিছু শাখার চিকিত্সকের পদ নেই। নতুন মেডিক্যাল কলেজগুলোতেও নেই এসব বিষয়ের কনসালটেন্ট এবং  অধ্যাপকের পদ। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পদ থাকলেও পদায়ন করা হচ্ছে না। ফলে জনগণ কাঙ্ক্ষিত চিকিত্সা থেকে বঞ্চিত। জনসংখ্যা অনুপাতে সকল বিষয়ে সকল ক্যাটাগরিতে বিশেষজ্ঞ সরকারি চিকিত্সকের নতুন পদ সৃষ্টি করে সেগুলোতে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। তাহলে অসহায় রোগীদের প্রাপ্ত চিকিত্সার মান এবং পরিমাণ উভয়ই বাড়বে। সেইসঙ্গে হাসপাতালে নতুন ভবন বানিয়ে শয্যা সংখ্যা বাড়ানো একান্ত প্রয়োজন। নাগরিকদেরকে সুষম চিকিত্সাসেবা দিতে হলে বাজেটের কমপক্ষে শতকরা ১৫ ভাগ বরাদ্দ রাখতে হয় চিকিত্সা খাতে। সেখানে বরাদ্দ মাত্র ৪.৯ ভাগ! পরিশেষে, স্বাস্থ্য খাতের বাজেট বাড়িয়ে উল্লিখিত বিষয়সমূহ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।

মো. মাকসুদ উল্যাহ

চিকিত্সক, ঢাকা মেডিক্যাল

কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা