রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত হয়েছেন পিরোজপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এমএ হাকিম হাওলাদর।
রোববার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুর ১২ টায় পিরোজপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে মরহুম এম এ হাকিম হাওলাদারের প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে জানাযার আগে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান করা হয়। জেলা পুলিশের একটি দল এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মরিয়ম জাহান রাষ্ট্রের পক্ষে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।
এর আগে শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত ৮টা ২২ মিনিটে খুলনার সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ফিকামলি তত্ত্বের জনক, বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুল ওয়াদুদ। এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রিয় নেতা হাকিম ভাইয়ের সাথে দীর্ঘ দিনের সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে বলেন হাকিম ভাই একজন সৎ, নির্লোভ, নিরহংকারী ব্যক্তি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তার সাহসিকতা ও দলের দুঃসময়ে তার ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। একজন সংগঠক হিসেবে তার শূন্যস্থান কখনও পূরণ হবার নয়। নিজ দলের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতিকে তিনি কখনও স্থান দেননি।
জানাযায় অনুষ্ঠানে মাংস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম অংশগ্রহণ করেন। ভান্ডারিয়ায় অনুষ্ঠিত জানাযায় অংশগ্রহণকারী আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন দলের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের এর সমবেদনার বার্তা উপস্থিত সবাইকে জানিয়ে দেন।
ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ নেতা ইসহাক আলী খান পান্না জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গনভবনে এক বৈঠক চলাকালে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
এছাড়াও জানাজায় অংশগ্রহণ করেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহ আলম, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান তালুকদার, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি একেএম আউয়াল, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, ভান্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাক্তার আবু কামরান রাহুল। পিরোজপুর জেলাসহ আশেপাশে জেলার অনেক নেতাকর্মী, ভক্ত অনুরাগী মরহুমের জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।
