শরণখোলায় একই রাতে দুই বাড়িতে দুর্বৃত্তরা চেতনানাশক প্রয়োগ করে বাড়ির লোকেদের অজ্ঞান করে টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। অন্যদিকে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে এক বাসযাত্রী নগদ টাকা খুইয়েছেন। এ ঘটনায় রবিবার সকালে ৫ জনকে অজ্ঞান অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনার শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, উত্তর বাধাল গ্রামের হাফেজ লুৎফর রহমানের স্ত্রী সালেহা বেগম (৫৫), একই গ্রামের সুলতান ফরাজী (৭০), তার পুত্রবধু রেহেনা বেগম (২৮), নাতি ছিয়াম (৪) এবং ফেনী থেকে রিফাত পরিবহনে আসা বাসযাত্রী ধানসাগর গ্রামের জামাল সরদার (৪৮)।
উত্তর বাধাল ওয়ার্ডের ধানসাগর ইউপি মেম্বার আসাদুজ্জামান স্বপন জানান, দুর্বৃত্তরা শনিবার সন্ধ্যা রাতে খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে রেখে যায়। রাতে ওই খাবার খেয়ে বাড়ির লোকজন অচেতন হয়ে পড়েন। এই সুযোগে সালেহা বেগমের ঘরের বেড়া কেটে দুর্বৃত্তরা ভেতরে ঢুকে আলমারি ভেঙে স্বর্ণালঙ্কার ও মালামাল নিয়ে যায়। তবে, সুলতান ফরাজী অচেতন হলেও তার ঘরে ঢুকতে পারেনি দুর্বৃত্তরা।
বাসযাত্রী জামাল সরদারের স্ত্রী পারুল বেগম জানান, তার স্বামী ফেনীতে শ্রমিকের কাজ করেন। সেখান থেকে রিফাত পরিবহনের একটি বাসে শরণখোলায় আসছিলেন। তার পাশের সিটের যাত্রীর দেওয়া বিস্কুট ও পানি খেয়ে জামাল অচেতন হয়ে পড়েন। তার কাছে থাকা ২০ হাজার ৫০০টাকা নিয়ে যায় ওই দুর্বৃত্ত। রবিবার সকালে বাসের লোকজন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে বাস ও ট্রাক চাপায় ২ জন নিহত
শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ দিলীপ কুমার সরকার জানান, এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
