নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকা থেকে শুরু হওয়া বালু নদী দূষণ ও দখলের কবলে পড়েছে। এক শ্রেণির প্রভাবশালী নদী দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে নদীর প্রশস্ততা কমিয়ে এনেছে। বিষাক্ত বর্জ্য ফেলে নদী দূষণ করছে তারা। দূষণের কারণে সেখানকার পরিবেশ আজ হুমকির মুখে। নদীতে এখন আর মাছ পাওয়া যায় না বললেই চলে।
এমন পরিস্থিতিতে গত শনিবার ও রবিবার বালু নদী পরিদর্শন করে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনসহ একটি প্রতিনিধিদল। নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান হাওলাদারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের উপ-সচিব শাহাদাত হোসেন, ঢাকা জেলার এডিসি (রেভিনিউ) আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাইফুল আশ্রাফ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল মতিন, রাজউকের অথরাইজড অফিসার মাকিদ এহসান, কালীগঞ্জ উপজেলার ইউএনও শিবলি সাদিক, রূপগঞ্জের এসিল্যান্ড তরিকুল ইসলাম, তেজগাঁও সার্কেলের এসিল্যান্ড এবিএম কুদরত ই খুদাসহ রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের একটি প্রতিনিধিদলসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, নদীর ৫৪টি স্থান দখল ও ২৩টি স্থানে দূষণ ঘটাচ্ছে প্রভাবশালীরা।
নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, যে কোনো মূল্যে নদী বাঁচাতে হবে। নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে। যারা নদী দখল ও দূষিত করেছেন, তারা যে ব্যক্তি, যে গোষ্ঠী, যে রাজনৈতিক দল বা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা সিএস রেকর্ড দেখে সীমানা নির্ধারণ করে নদী দখলমুক্ত কার্যক্রম শুরু করব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে শীঘ্রই দখল ও দূষণমুক্ত করে নদীকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। তাই সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
