রাজশাহীতে এক সপ্তাহ থেকেই চলছে শৈত্য প্রবাহ। টানা কয়েকদিনে সকাল থেকে বেলা ১১টার মধ্যে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। চলমান শৈত্য প্রবাহের সঙ্গে চলছে হিমেল বাতাস। ফলে শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে যাচ্ছে। এছাড়া সন্ধ্যার পর থেকে রাজশাহী অঞ্চল কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে।
সোমবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকে কনকনে শীতের সঙ্গে বাতাস বইতে শুরু করে। রাতে ঠাণ্ডা বাতাস আরও বাড়তে থাকে। রাত ৮টার পর থেকে কুয়াশায় ঢাকা পড়ে। এই কুয়াশার সঙ্গে আকাশ থেকে শিশির বৃষ্টি পড়তে দেখা যায়। মঙ্গলবার ভোর থেকে কুয়াশায় ঢাকা পড়ে রাজশাহী অঞ্চল।
ঘন কুয়াশায় পথঘাট ঢাকা পড়ে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন লাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা যায়। কুয়াশার কারণে সঠিক সময়ে যানবাহন গন্তব্য স্থানে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে বলে গোদাগাড়ী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফেরত বাস ড্রাইভার হাতেম আলী জানান।
মঙ্গলবার রাজশাহীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে তাপমাত্রা আরও কম মনে হচ্ছে। এই ঠাণ্ডা বাতাসের দাপটেই কাঁপছে রাজশাহীসহ উত্তর জনপদের ছিন্নমূল মানুষ।
প্রচণ্ড শীতে বেশি কষ্ট পাচ্ছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। শীতে হাসপাতাল গুলোতে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ফসলের বীজতলা ঠিকমত পরিচর্যা করতে না পারা ও কুয়াশায় চারা নষ্ট হওয়ায় কৃষকরা পড়েছেন বিপদে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন বলেন, মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজশাহী অঞ্চল গত কয়েকদিন ধরেই শৈত্য প্রবাহ চলমান রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ হালকা পরিষ্কার হচ্ছে। এছাড়া আকাশে মেঘ ও কুয়াশাও আছে। আগামি আরও এক সপ্তাহ এমন আবহাওয়া থাকবে বলে জানান।
