আজকাল স্মার্টফোনের সফটওয়ার ব্র্যান্ড-ভেদে ভিন্ন হয়। কিছু কিছু ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ভারি হওয়ায় ভালো হার্ডওয়ার থাকার পরও ফোন হ্যাং করে। অ্যাপ চালানোর সময় করছে হ্যাং, আবার অনেক সময় কোনো অ্যাপ চলছেই না। এমন অবস্থায় বিরক্তি লাগাটা অস্বাভাবিক কিছুই নয়। ফোন অনেক কারণেই হ্যাং করে। তবে বিরক্ত না হয়ে সমাধানের চেষ্টা করাই ভালো। এজন্য কিছু বিষয় এখানে জানিয়ে নেওয়া যাক:
র্যাম ম্যানেজমেন্ট
প্রতিটি ফোনের র্যাম ম্যানেজমেন্টের বিষয়টি নিয়ে আমরা যথেষ্ট ওয়াকিবহাল নই। ফোন চালু করার পর কোন কোন অ্যাপ সক্রিয় হবে, কোন অ্যাপটি ব্যবহার না করার পরও সক্রিয় আছে এবং অ্যাপে কি কি বাড়তি পারমিশন দিয়ে রেখেছেন--এসব বিষয় মনোযোগ দিয়ে দেখুন। আজকাল ফোনে ভার্চুয়াল র্যামের ব্যবস্থাও থাকে। র্যামের অবস্থা বুঝে ভিডিও গেম, বা অ্যাপ নামাবেন।
ব্যাকগ্রাউন্ডে একাধিক অ্যাপ
ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে একাধিক অ্যাপ চালু রাখলেও ফোন হ্যাং হতে পারে। বিশেষত অনেকেই গেম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাপ, বা অন্যান্য অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চালিয়ে রাখেন। এসব অ্যাপ সক্রিয় থাকতে র্যামের ওপর নির্ভর করে। ফলে আপনি মালটিটাস্কিং করার সময় স্বভাবতই তা ফোন হ্যাং করায়।
ক্যাশ মেমরি
অনলাইন সার্ফিং, ইউটিউব চালানো বা সফটওয়ার চালানোর পর প্রতিটি সফটওয়ারে ক্যাশ ডাটা জমে। এই ক্যাশ ডাটা পরবর্তীতে কোনো কাজে আসেনা। উলটো ফোনের স্টোরেজ দখল করে বসে। এসব ক্যাশ মেমরি মোবাইলের ডিফল্ট ক্লিনার অ্যাপ বা সেটিংস এ গিয়ে পরিষ্কার করুন।
রিস্টার্ট করুন
মাঝেমধ্যে আপনার ফোন রিস্টার্ট দিন। হ্যাং করলেই অনেকে ফোন রিবুট দেন। এমন করলে অনেক সময় ফোনে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। বরং দিনে দু-একবার রিবুট দিলে ফোন আবার প্রাথমিক অবস্থায় ফিরে যায়।
চার্জ দেওয়ার সময় মোবাইল চালাবেন না
অনেকে এক পোর্টের মাধ্যমে মোবাইলে চার্জ দেন, আবার হেডফোন গুঁজে একইসঙ্গে গান শোনেন, আবার ওই সময়ে গেম খেলেন নাহয় ভিডিও দেখেন। এতকিছু একসঙ্গে করলে ফোনের ব্যাটারির ওপর অনেক চাপ পড়ে এবং সিস্টেমেও বাড়তি চাপ ফেলে। তাই চার্জ দিয়ে ফোন চালাবেন না।
অ্যাপ ও ফোন আপডেট দিন
মোবাইলের সব অ্যাপ আপডেটেড রাখুন। নতুন আপডেটে পুরনো ভার্সনের কোনো সমস্যা ঠিক হয়। অ্যাপের ক্ষেত্রেও তা সত্য। তাই ফোন আপডেটেড রাখুন।
