জার্মান বধূ দেখতে বিশ্বনাথের শ্রীধরপুরে উৎসুক জনতার ভিড়

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০৪:১৫

জার্মানির স্থানীয় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মারিয়া। সুদূর জার্মান থেকে ছুটে এসেছেন সিলেটের বিশ্বনাথ পৌর শহরে। বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন পছন্দের মানুষ আব্রাহাম হাসান নাঈমের সঙ্গে। পেশায় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার আব্র্রাহাম বিশ্বনাথ পৌরসভার শ্রীধরপুর গ্রামের আরিছ আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার রাজকীয় আয়োজনে সারা হয় আব্রাহাম-মারিয়ার বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। এই বিয়েকে ঘিরে আব্রাহামের বাড়িতে গত শুক্রবার থেকে চলছে আনন্দ-উৎসব ও ভূরিভোজ। জার্মান নাগরিক মারিয়াকে এক নজর দেখতে ভিড় করছে উৎসুক লোকজন।

জানা যায়, বিশ্বনাথের এক ব্যক্তির মাধ্যমে মারিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় আব্রাহাম হাসান নাঈমের। এরপর তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে ভালোবাসার সম্পর্ক। উভয়ের পরিবার সিদ্ধান্ত নেন আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার। প্রথমে মারিয়া আব্রাহাম হাসানকে জার্মানিতে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। তাতে রাজি হননি আব্রাহাম। একপর্যায়ে গত ২৩ ডিসেম্বর পছন্দের মানুষ আব্রাহামের কাছে বাংলাদেশে ছুটে আসেন মারিয়া। এরপর মুসলিম রীতি অনুযায়ী দুজনেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

আব্রাহাম-মারিয়ার বিয়ে উপলক্ষে পারিবারিকভাবে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বর্ণিল সাজে সাজানো হয় পুরো বাড়ি। আমন্ত্রণ জানানো হয় শ্রীধরপুর গ্রামসহ আশপাশ গ্রামের নারী-পুরুষ সবাইকে। রাজকীয় এমন আয়োজনে অংশ নিতে পেরে আনন্দিত এলাকাবাসী। তাদের অনেকেই জানান, বিশ্বনাথে এ ধরনের রাজকীয় বিয়ের আয়োজন খুব কমই দেখা যায়। আব্রাহামের চাচাতো ভাই আবদুল বাতিন জানান, মারিয়া জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি পিএইচডি অর্জনের লক্ষ্যে গবেষণা করছেন। খুব শিগগিরই জার্মান থেকে মারিয়ার মা-বাবা বাংলাদেশে আসবেন।

আব্রাহাম হাসান নাঈম-মারিয়া দম্পতি বলেন, ‘সারা জীবন যেন আমরা একসঙ্গে থাকতে পারি, সেজন্যে সবার দোয়া চাই।’

ইত্তেফাক/এমএএম