বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩, ১৫ চৈত্র ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

রিকশাচালককে গুলি করে হত্যা, আরেক আসামি গ্রেফতার

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২৩, ১৮:৩৬

ঈশ্বরদীতে প্রকাশ্যে গুলি করে রিকশাচালক মামুনকে হত্যার ঘটনায় পলাতক আসামি ইব্রাহিম হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) ভোরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পাকশী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ইব্রাহিম শৈলপাড়া বারো কোয়ার্টারের আকরাম মিস্ত্রির ছেলে। এ নিয়ে মামুন হত্যা মামলায় ৮ দিনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ৪ আসামিকে গ্রেফতারে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

এর আগে বুধবার বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাঁড়া ইউনিয়নের আড়ামবাড়িয়া এলাকা থেকে আরেক আসামি আনোয়ার উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। আনোয়ার উদ্দিনকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ অরবিন্দ সরকার ইত্তেফাককে জানান, হত্যার পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে নানাভাবে অভিযানে নামে পুলিশ। বুধবার আড়মবাড়িয়া এলাকা থেকে আসামি আনোয়ার উদ্দিনকে এবং বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পাকশী এলাকা থেকে ইব্রাহিম হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিশেষ কৌশল খাটিয়ে এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আনোয়ার উদ্দিনকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। ইব্রাহিমকেও আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে আনার আবেদন জানানো হবে।

বড় ভাই কামাল উদ্দিন পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও যুবলীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি হওয়ার কারণে আনোয়ার উদ্দিন যুবলীগের সদস্য না হয়েও এলাকায় যুবলীগ পরিচয়ে চলাফেরা করতেন। আনোয়ারের সহযোগী হিসেবে ইব্রাহিম সবসময় তার সাথেই থাকতেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার (৪ জানুয়ারি) রাতে ঈশ্বরদী বিমানবন্দর সড়কের কড়ইতলায় যাত্রীবাহী ভটভটি ও লেগুনার সংঘর্ষে লেগুনার সামনের গ্লাস ভেঙে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রিকশাচালক মামুন হোসেনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেন আনোয়ার উদ্দিন। আহত হয় রকি (২৬) ও সুমন (২৫)। আহতরা ঢাকা ও রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় নিহত মামুনের মা লিপি খাতুন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটককৃত কাউন্সিলর কামাল উদ্দিনকে প্রধান করে তার ভাই আনোয়ার উদ্দিন, ভাতিজা হৃদয় হোসেন এবং ইব্রাহিমকে নামীয় এবং আরও ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

ইত্তেফাক/এসকে