প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহন করে আনতে যাওয়া পাইলটের পাসপোর্ট রেখে যাওয়াটা তার ভুল ছিল। এমন তথ্যই দিয়েছে এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি। পাইলট ফজল মাহমুদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিমানের বোয়িং উড়োজাহাজ নিয়ে কাতার গেলে সেখানকার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটকে দেন, তার পাসপোর্ট কাছে না থাকার কারণে। ফিনল্যান্ড থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে গত ৬ জুন বিমানের একটি বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ নিয়ে ঢাকা থেকে রওনা হন পাইলট ফজল মাহমুদ। অন্য একটি ফ্লাইটে ফজল মাহমুদের পাসপোর্ট পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নিকট প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তাতে তারা পাইলট ভুল করে পাসপোর্ট রেখে যান বলে উল্লেখ করেন। তবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মাত্ নাসিমা বেগমকে প্রধান করে ওই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি তাদের প্রতিবেদনে নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কিছু সুপারিশ দিয়েছেন।
বিদেশ থেকে ফেরার পর গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘হয়তো পাসপোর্ট ভুলে (ফেলে) যেতে পারে। কিন্তু এখানে ইমিগ্রেশনের দায়িত্বে যারা ছিল, তাদের তো এই নজরটা থাকতে হবে। আমি সাথে সাথে বলে দিয়েছি, যারা ইমিগ্রেশনে ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। অবশ্য ইতিমধ্যে কর্মরত পুলিশের এসআই কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ঘটনা তদন্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি তাদের প্রতিবেদন দিল। অতিরিক্ত সচিব (নিরাপত্তা ও বহিরাগমন অনুবিভাগ) মোহাম্মদ আজহারুল হকের নেতৃত্বে ওই কমিটি তাদের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে।
