রোববার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

‘এক মুঠো হাসি’র গল্প

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০৪:৩৭

সবকিছুর পিছনেই কিছু না কিছু লুকানো গল্প থাকে। সেটা কেউ জানে কিংবা কেউ জানে না। হয়ত কেউ সেটা বলে কিংবা কেউ বলার সুযোগ পায় না। ‘এক মুঠো হাসি’র গল্পটাও ঠিক এরকম।

প্রতিটি কাজ শুরু করার পূর্বে কঠিন মনে হয়। কিন্তু কাজের শুরুতেই যদি মানুষের সমালোচনা আর আলোচনায় কাজটা আরও বেশি কঠিন হয়ে ওঠে তখন হয়তো অনেক কাজই শুরুর আগেই বন্ধ হয়ে যায় অথবা আর শুরু করা হয় না।

‘এক মুঠো হাসি’র অতীত গল্পটা হলো— শুরুতে সমাজের কিছু মানুষ যেমন উৎসাহিত করেছিল ঠিক একইভাবে কিছু মানুষ নিরুৎসাহিতও করেছিল। কিন্তু বন্ধুত্বের একতা, সততা ও সত্ সাহসের পাশাপাশি শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতার মাধ্যমে ৪ বছর অতিক্রম করে এবার সংগঠনটি  ৫ম বছরে পা দিয়েছে। ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে যখন একেকজন একেক জায়গায় পড়ালেখার সুযোগ করে নেয় তখন সাইফ, আসিফ, জয়নুল, তালহা, সাব্বির ও জাবেদুরের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় মিমি, নাজিয়া, নিপা, মুক্তাদির ও মুস্তাকিমের সহযোগিতায় ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আল হেলাল কমিউনিটি সেন্টারে ‘এক মুঠো হাসি’ সামাজিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এটি হলো একটি অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও মানবকল্যাণমূলক সামাজিক সংগঠন। যারা অসহায়, নির্যাতিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের  জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে সংগঠনটি চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা, স্বাবলম্বী প্রজেক্ট, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ডায়াবেটিস পরীক্ষা, বস্ত্র বিতরণ, কুইজ প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, খাদ্য বিতরণ সহ দুর্যোগকালে কাজ করে সংগঠনটি নবীগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক সুনাম লাভ করেছে।

ইত্তেফাক/এসটিএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন