বাকেরগঞ্জের আয়রন ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট : ১৮ জুন ২০১৯, ২১:৪১

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) সংবাদদাতা

বাকেরগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ আয়রণ ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অনেক ব্রিজের আয়রণ স্ট্রাকচার, ক্রস এঙ্গেল ও পাটাতন ভেঙে গেছে।

উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের মধ্যম মহেশপুরের রুস্তুম আলী মাস্টার জানান, তার বাড়ির সামনের ব্রিজটি দিয়ে রামনগর, কাফিলা, আঙ্গুলকাটা, বাহাদুরপুরের প্রায় পাঁচ হাজার গ্রামবাসী যাতায়াত করে পাশাপাশি এই অঞ্চলে দুটি মাদ্রাসা, দুটি মাধ্যমিক স্কুল, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীরা ব্রিজ পার হতে না পেরে অনেক দূরের পথ ধরে স্কুলে যেতে হয়, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার ভয়ে অনেকে ব্রিজের পথে যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছে। এলাকাবাসী ভাঙা পাটাতনে কলাগাছ ও সুপারি গাছ দিয়ে মেরামত করলেও তা টেকসই হচ্ছে না। মহেশপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজটির একই অবস্থা।

স্থানীয় নাসির তালুকদার জানান, ব্রিজের দুপাশেই বাজার, প্রাথমিক বিদ্যালয়, আফসার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ঐতিহ্যবাহী কুমারপাড়া, গ্রামীণ ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক থাকায় মহেশপুর বাজার এলাকার মানুষের যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু। তাই দ্রুত ব্রিজগুলো সংস্কার বা পুনঃনির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে যাতায়াত সমস্যার সমাধান সম্ভব।

নিয়ামতি ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন মাসুম জানান, গত অর্থবছর ব্রিজ সংস্কারের জন্য উপজেলা পরিষদের কোটায় এক লাখ টাকা পেয়েছি, যা ব্রিজ সংস্কারের জন্য পর্যাপ্ত নয়, তাই সংস্কারের কাজ না করে স্থায়ী নির্মাণের জন্য চেষ্টা করছি।

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) যুগল কৃষ্ণ মন্ডল জানান, বাকেরগঞ্জে এ ধরনের ব্রিজের সংখ্যা ৪৪টি। ইতোমধ্যেই সরকার দক্ষিণ অঞ্চলে আয়রণ ব্রিজ পুনঃনির্মাণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প চালু করেছে, যার ফলে আমরা দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করতে পারবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাধবী রায় বলেন, বাকেরগঞ্জের চৌদ্দটি ইউনিয়নের আয়রণ ব্রিজ পুনঃনির্মাণ ও পুনর্বাসন কাজের প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছি। দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সচেষ্ট আছি।