ভূমিকম্পবিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় ঝুঁকি সত্ত্বেও ঘরে ফিরছে বেঁচে ফেরা মানুষ

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০০:৩২

তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে ভূমিকম্পে বেঁচে ফেরা মানুষ তাদের ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে। জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও একরকম উপায় না পেয়ে তারা বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন। যতটুকু পুনরুদ্ধার করা যায়—তা থেকে নতুন করে বাঁচার আশা দেখছেন তারা। কিন্তু এরপরও প্রকৃতি বোধ হয় তাদের ওপর রুঢ় আচরণ ছাড়ছে না। কারণ প্রলয়ংকরী এই ভূমিকম্পের পরও গত সোমবার দুই দফায় আরো ভূমিকম্প হয়েছে। এতে নিহতের পাশাপাশি বহু মানুষ ভবনের নিচে আটকা পড়ে গেছেন। 

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ভূমিকম্পের পর অনেকেই এখন নতুন করে বাঁচার চেষ্টা করছেন। প্রয়োজনীয় নথিপত্র, আসবাব এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। যতটুকু কাজে লাগে এসব দৈনন্দিন জিনিসপত্র তা দিয়ে আবার নতুন করে জীবন শুরু করতে চান তারা। তুরস্ক ও সিরিয়ায় প্রবল ভূমিকম্পের দুই সপ্তাহ পর আন্তাকিয়ার বেশির ভাগ বাসিন্দা চলে গেছেন বা ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন। সোমবার যখন ফের ভূমিকম্পে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরটি আবার কেঁপে ওঠে, তখন জিনিসপত্র উদ্ধার করতে গিয়ে কমপক্ষে আরো তিন জন নিহত হয়েছেন। 

ইয়াসির বায়রাকি নামে একজন বাসিন্দা বলেন, ‘আমাদের যা কিছু আছে আমরা বাঁচানোর চেষ্টা করছি—কারণ ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি। শুধু তা-ই নয়, রাষ্ট্র কী ধরনের ক্ষতিপূরণ দেবে—তা আমরা এখনো জানি না।’ ৬ ফেব্রুয়ারির ভূমিকম্পে তার পরিবার ১৫ ভাইবোনের মধ্যে এক বোনকে হারিয়েছে। ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়।

ইত্তেফাক/ইআ