দীর্ঘ চার বছর পর নিজ নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর তাকে বরণ করে নিতে কোটালীপাড়াবাসী সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া সভাস্থলসহ এর আশপাশের এলাকায় আট হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ও সাবেক সিনিয়র সচিব মো. শহীদ উল্লা
খন্দকার জানান, আগামী শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) তিনি কোটালীপাড়া পৌঁছে উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের তালিমপুর তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। এছাড়াও জনসভাস্থলে বসে ৪৮ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে গোটা উপজেলা নবরুপে সেজেছে। কয়েকশত তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। রাস্তার দু’পাশ দিয়ে টানানো হয়েছে হাজার হাজার ব্যানার ও ফেস্টুন। সংস্কার করা হয়েছে যাতায়েতের বিভিন্ন রাস্তা। এ জনসভাকে সফল করতে দলীয়ভাবে সকল পদক্ষেপ সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে কেন্দ্রে করে তিনস্তরের নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন প্রবেশ দ্বারে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সভাস্থলসহ এর আশপাশের এলাকায় আট হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও র্যাব, পুলিশ, বিজিবিসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সভাস্থলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েত ও ঢহল দিতে দেখা গেছে।
উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান যজ্ঞেশ্বর বৈদ্য অনুপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের মায়ের মতো। তিনি আমাদেরকে মাতৃস্নেহ নিয়ে আগলে রেখেছেন। বিগত ১৪ বছরে তিনি এ উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। তার আগমনে আমরা আনন্দিত। এখানে তিনি আসবেন এবং ভাষণ দিবেন। আমরা তার আগমনের প্রতীক্ষায় আছি।
কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালে ১২ ডিসেম্বরের পর তিনি কোটালীপাড়ায় আসতে পারেননি। তবে তিনি প্রতিনিয়ত এখানের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কোটালীপাড়াবাসীর খোঁজ খবর নিয়েছেন।
কোটালীপাড়ায় জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়া গিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বলে দলীয় সূত্র জানা গেছে।
