এএফসি কাপ ফুটবলে দ্বিতীয় পর্বে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে আবাহনী। গ্রুপ পর্বে আবাহনীর সামনে একটি মাত্র খেলা রয়েছে। আগামী ২৬ জুন ভারতের মাটিতে সেই খেলা মিনারভা পাঞ্জাবের বিপক্ষে লড়াই। এই ম্যাচ জিতলে আবাহনী প্রথমবারের মতো এএফসি কাপের দ্বিতীয় পর্বে ওঠার টিকিট পেয়ে যাবে। আবাহনীর উপরে থাকা ভারতের চেন্নাইন এফসি মিনারভার বিপক্ষে ড্র করে পিছিয়ে যাওয়ার দিনে ঢাকার মাঠে আবাহনী হারিয়েছে নেপালের দল মানাং মারসিয়াংদীকে। ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আবাহনী। ৮ পয়েন্ট আবাহনীর পেছনে দাঁড়িয়েছে চেন্নাইন এফসি। তারা যদি শেষ খেলায় জিতে তাহলে ১১ পয়েন্ট হবে। আবাহনী ড্র করলে ১১ পয়েন্ট হবে। আর চেন্নাইন এফসি শেষ খেলায় হেরে গেলে এবং আবাহনী ড্র করলে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত। তবে আবাহনীর জন্য সহজ পথ হচ্ছে শেষ খেলায় জয় নিয়ে চলে যাওয়া। আবাহনীর পর্তুগীজ কোচ মারিও লেমস জানিয়েছেন তারা ২৬ জুন শেষ খেলায় জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছেন না। একই দিনে দুই ম্যাচ হবে। কেউ কারো দিকে তাকানোর সময় পাবে না।
শেষ ম্যাচটি নিয়ে আবাহনী কঠিন পরিকল্পনায় নামছে বলে বুধবার সন্ধ্যায় খেলা শেষে বলছিলেন কোচ লেমস। তিনি জানেন আবাহনী এরআগেও দুই বার এএফসি কাপে খেলেছিল। তারও আগে পাঁচ বার প্রেসিডেন্ট কাপ ফুটবলে খেলেছিল। কিন্তু পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ হাতের কাছে আসতে আসতেও আসেনি। সেই আফসোস প্রতিনিয়ত আবাহনীর ভক্তদের মধ্যে ধ্বনিত হয়। অনেক দিন ধরে লালন করে আসা স্বপ্নটা এবার শক্ত হাতে দরতে চান লেমস।
আবাহনীর সবচেয়ে বড় সমস্যা রক্ষণভাগে। ফাহাদ এবং তপু বর্মন না থাকাটা বড় ক্ষতি। মিনারভার এএফসি কাপ হতে বিদায় নিলেও তারা অঘটন ঘটাতে পারে সেটি জানান দিয়েছে চেন্নাইনের বিপক্ষে ড্র করে। কোচ বলেন, ‘ওরা (মিনারভা) টুর্নামেন্টের রেসে না থাকলেও তারা যে আমাদের প্রতি উদাসীন থাকবে তা কিন্তু নয়। মিনারভা মরণ কামড় দিয়ে বসবে। আমাদের সেই আঘাত সহ্য করে ম্যাচটাকে পকেটে তুলে নিতে হবে।’
প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে আবাহনী একটু পিছিয়ে গেছে পয়েন্ট টেবিলে আবাহনী দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও এএফসি কাপ ফুটবল আবাহনীকে উজ্জীবিত করেছে। ফুটবলাররা আরো উজ্জীবিত, মানাং মারসিয়াংদীর বিপক্ষে পাঁচ গোলের মধ্যে শেষ মুহূর্তে মামুনুলের গোলটি এএফসি কাপের সপ্তাহের সেরা চার গোলের তালিকায় রয়েছে।
