ঝামেলামুক্ত যাতায়াতের মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন 

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০২৩, ২১:০৮

ঈদ আয়োজন শুরু হয় মানুষের বাড়ি ফেরার মধ্যে দিয়ে। শহর ছেড়ে দেশের দূর-দূরান্তে বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে যায় মানুষ, পরিবার-পরিজনের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে। পরিবার ও ছোটবেলার বন্ধুদের সাথে দেখা হওয়ার মধ্যে দিয়েই ঈদের আনন্দ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। 

কিন্তু প্রিয়মুখদের সাথে দেখা হওয়ার এই পর্বে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়ায় যাত্রাটিই! ঢাকাবাসী অনেকেই তাদের জীবনের বড় একটি অংশ জ্যামে বসেই কাটিয়ে দেন এবং ঈদের এই যাত্রার সময় তাদের মূল্যবান সময় অপচয়ের ভয়ে থাকেন অনেকেই। কেননা, ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি অন্য সবকিছুকে হার মানায়।
 
বিশাল লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে টিকিট কেনা, বাস/ট্রেন/প্লেন ধরতে জ্যাম এড়িয়ে রুট প্ল্যান করা এবং নানা সাইজের লাগেজ নিয়ে যাতায়াতের মতো বিভিন্ন ভোগান্তি থাকে। এছাড়া, দূরপাল্লার এই গাড়ির চালকদের বেপরোয়া ড্রাইভিং এ অনেক সময় মৃত্যুঝুঁকিও থাকে। এসকল ভোগান্তি অনেকাংশেই কমে আসে উবারের মতো রাইড শেয়ারিং ব্যবস্থাগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে।

রাইডশেয়ারিং সার্ভিসগুলোর সাহায্যে যেকোনো সময় পছন্দসই গাড়ি বুক করা যায়। একজন যাত্রী থাকলে তার জন্য রয়েছে কম খরচের ও দ্রুতগতির উবার মোটো সার্ভিস। বড় গ্রুপে যাত্রা করলে বা সাথে অনেক লাগেজ থাকলে এক্সএল সার্ভিস রয়েছে আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিতের জন্য। এছারা নিয়মিত যারা গাড়ি বা সিএনজিতে যাতায়াত করে থাকেন, তারা ইন্টারসিটি সার্ভিসের মাধ্যমে গাড়ি ভাড়া করে ঢাকার বাইরে তাদের বাড়ি পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন নিমিষেই। 

এছাড়া, বাড়ি থেকে ফেরত আসার জন্যও এসকল রাইডশেয়ারিং সার্ভিসগুলো ব্যবহার করা যাবে। উন্নতমানের নিরাপত্তা সুবিধা থাকার কারণে রাইডশেয়ারিং সার্ভিসের ব্যবহার নিশ্চিত করে আরামদায়ক ও নিরাপদ যাত্রা। তাই প্রিয়জনদের সাথে ঈদ উদযাপনের পর বাড়ি ফেরা হোক নিরাপদে, নতুন স্মৃতি সাথে নিয়ে

ইত্তেফাক/এএইচপি