অভিযুক্তের বাবার আত্মহত্যা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দুলাভাই নাঈম ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে সদর উপজেলার অষ্টগ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সে শালগাঁও এলাকার বসু মিয়ার ছেলে।
এদিকে ছেলের অপকর্মের ভার সইতে না পেরে গাছের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন নাঈমের বাবা বসু মিয়া। শনিবার সকালে নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের গোসাইপুর গ্রামে আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর ও বিজয়নগর সার্কেলের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার রেজাউল কবির জানান, নিহত তামান্নার মায়ের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে নাঈমের মামার বাড়ির থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি আরো জানান, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলছে। ডিএনএ পরীক্ষার পর তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অভিযোগ দিতে পারবো। গত ২০ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার দুলাভাই নাঈম ইসলামের বাড়ি থেকে তামান্না আক্তারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজু আহমেদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
