আজকের দ্রুতগতির ডিজিটাল বিশ্বে, সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করে। এটি যোগাযোগ ও তথ্য প্রচারের জন্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার বন্ধু এবং পরিবারের সাথে সংযোগের বাইরে গিয়েও এটি সামাজিক পরিবর্তন এবং উদ্ভাবনের একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। মূলত এই সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণেই আমরা আজকাল এক নিমেষে অনেক কিছু জানতে ও জানাতে পারছি, সর্বোপরি নতুন নতুন অনেক স্বপ্ন ও পরিকল্পনার অংশ হতে পেরেছি।
অন্যদিকে, ‘অলিম্পিয়াড’ শব্দটি শুনলেই সবার আগে আমাদের মাথায় কোন জিনিসটা ভেসে উঠে? কোনো একটি একাডেমিক বিষয়ের উপর দক্ষতা থাকা এবং সেটাকে সবার সামনে প্রকাশ করা- এক্ষেত্রে অলিম্পিয়াডের ভূমিকা অনবদ্য! কিন্তু কেমন হতো যদি একাডেমিক বিষয় ব্যতীত এমন কোনো টপিক থাকতো, যেটা সবার দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ?
ঠিক এমনই একটি নতুন স্বপ্ন আর লক্ষ্য নিয়ে ২০২৩ সালের ৯ এপ্রিল যাত্রা শুরু হয় সোশ্যাল মিডিয়া অলিম্পিয়াড এর এবং ধীরে ধীরে এর কার্যপরিধি বিস্তার লাভ করছে। মূলত তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে আরও সচেতন করে তুলতেই এই উদ্যোগ। সংস্থাটির মূল লক্ষ্য হলো সোশ্যাল মিডিয়া লিটারেসি বৃদ্ধির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে অধিকতর প্রোডাক্টিভ ভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিশ্চিতকরণ। সেইসাথে জোর দেওয়া হবে সোশ্যাল মিডিয়া ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে।
ইতিমধ্যে বর্তমান বাংলাদেশের ২ জন বিখ্যাত এডুকেশনাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ইমতিয়াজ অর্ণব (স্টোরিহেড) এবং আসাদুদজামান জয় উপদেষ্টা হিসেবে সংস্থাটির সাথে যুক্ত হয়েছেন। টিমের চিফ অপারেশন অফিসার রাকিন আল শাহরিয়ার জানায়, “সোশ্যাল মিডিয়া অলিম্পিয়াড একটি স্বপ্নের প্রজেক্ট। এটি সম্পূর্ণ অনন্য একটি মূলধারার অলিম্পিয়াড যা বাংলাদেশের, এমনকি বিশ্বের প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য এই অংশটির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং সেখান থেকে অর্জিত জ্ঞান ও মেধাকে যাচাই এর জন্য এই অলিম্পিয়াডের বিকল্প নেই। পাশাপাশি এখানে অংশগ্রহণের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরি রয়েছে, আর সাথে আকর্ষণীয় পুরস্কারও।”
শীঘ্রই দেখা মিলতে যাচ্ছে "সোশ্যাল মিডিয়া অলিম্পিয়াড সিজন-০১" এর! এতে থাকবে ২ টি রাউন্ড ও ৪ টি ক্যাটাগরি। বিস্তারিত আরও জানতে চোখ রাখুন সোশ্যাল মিডিয়া অলিম্পিয়াড এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ- এ।
