মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

কাশ্মিরে আয়োজিত জি-২০ বৈঠক বয়কট চীন ও পাকিস্তানের

আপডেট : ২০ মে ২০২৩, ১৪:০২

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে জি-২০ পর্যটন সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে চীন ও পাকিস্তান। দুই দেশ জানিয়েছে, তারা বিতর্কিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত কোনো বৈঠকে অংশ নেবে না। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, জি-২০ বিশ্বের ২০টি প্রধান অর্থনীতির জোট। ভারত এই বছর পর্যায়ক্রমে জোটের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। 

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে জি-২০ পর্যটন সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে চীন ও পাকিস্তান।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার পর্যটন বিষয়ক জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ভেন্যু হিসেবে কাশ্মীরকে বেছে নিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান ও চীন শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে। হিমালয়ের নিকটে অবস্থিত কাশ্মির, ভারত এর অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করে এবং বাকি অর্ধেক পাকিস্তানের অধীনে।
 
যদিও উভয় দেশই পুরো কাশ্মিরকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ভারত ও পাকিস্তান কাশ্মির নিয়ে তিনবার লড়াই করেছে। শুক্রবার (১৯ মে) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাশ্মিরে জি-২০ বৈঠক বয়কটের ঘোষণা দেয়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার পর্যটন বিষয়ক জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ভেন্যু হিসেবে কাশ্মীরকে বেছে নিয়েছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, 'বিতর্কিত অঞ্চলে জি-২০ জোটের যে কোনো বৈঠকের তীব্র বিরোধিতা করে চীন এবং আমরা এ ধরনের বৈঠকে অংশ নেব না।' এদিকে, ২০১৯ সালে মোদি সরকার কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে।
 
কাশ্মিরকে ভারতের ফেডারেল ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়। এরপর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। কাশ্মিরের ভারত নিয়ন্ত্রিত অংশে কিছু স্বাধীনতাপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে। তারা ভারত থেকে পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আলাদা হতে চায় অথবা পাকিস্তানের সঙ্গে একত্রিত হতে চায়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন
 
এদিকে, কাশ্মিরের রাজধানী শ্রীনগরে জি-২০ পর্যটন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এরই অংশ হিসেবে ভারত সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। ওই এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো মোতায়েন করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/ডিএস