শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

বঙ্গবন্ধুর 'জুলিও কুরি' পদক প্রাপ্তির সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে কুবিতে আলোচনা সভা

আপডেট : ২৪ মে ২০২৩, ১৪:৩২

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর 'জুলিও কুরি' শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নম্বর কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় ও ছাত্র-পরামর্শক ও নির্দেশনা কার্যালয়ের পরিচালক ড. মোহা. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার ৩১১ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আরমা দত্ত। বিশেষ অতিথি  হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান। 

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, বঙ্গবন্ধু শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে দর্শন বুকে ধারণ করতেন তা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সারা বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ধারণ করেছেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, সারা বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত, একভাগে শোষক আর একভাগে শোষিত এবং তিনি ছিলেন শোষিতের পক্ষে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কখনো আপসের পথে হাঁটেননি। একইভাবে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর দর্শন ধারণ করে বিশ্ব শান্তি স্থাপনের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। শান্তি প্রতিষ্ঠায় তিনি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি করে এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহহীনদের মুখে হাসি ফুটানো ও বয়স্ক ভাতা চালুসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে শান্তি স্থাপন করেছেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে সংসদ সদস্য আরমা দত্ত বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন নির্যাতিত, শোষিতের পক্ষে। সারাজীবন তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে কাজ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর শান্তির বাণী ছড়িয়ে পড়ুক দেশ ও বিশ্ববাসীর কাছে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ,  বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

ইত্তেফাক/এআই