অভিযুক্তদের এক বছরের বহিষ্কারাদেশে সন্তুষ্ট নন ভুক্তভোগী ফুলপরী

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৩, ১৮:৫৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুনকে রাতভর নির্যাতনের ঘটনায় শাখা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা ও তার চার সহযোগী তাবাসসুম ইসলাম, ইসরাত জাহান মিম, মোয়াবিয়া জাহান এবং হালিমা খাতুন ঊর্মিকে ১ বছরের জন্য স্থায়ী বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 

তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গৃহীত এক বছরের বহিষ্কারাদেশের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন নির্যাতনের শিকার ছাত্রী ফুলপরী খাতুন।

শনিবার (১৫ জুলাই) বিকালে দৈনিক ইত্তেফাকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয় ফুলপরীর। এসময় তিনি এ অসন্তুষ্টির কথা জানান।

তিনি বলেন, এক বছর তো দেখতে দেখতেই চলে যাবে। আমি চেয়েছিলাম তারা আমার উপর যে পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে তার এমন শাস্তি হোক যেন নির্যাতনকারীরা তা অনেক দিন ধরে মনে রাখে। আমি এখন আতঙ্কে আছি স্বল্প সময়ের মধ্যে ফিরে এসেই তারা যদি ক্যাম্পাসে আবার কোনো নৈরাজ্য সৃষ্টি করে।

ফুলপরী আরও বলেন, আমি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। এক বছর পর তারা যে আমার কোনো ক্ষতি করবে না এর নিশ্চয়তা নেই। ন্যায় বিচার হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাদের আজীবনের জন্য বহিষ্কার হোক।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত স্টুডেন্টস কোড অব কন্ডাক্টের ধারা মোতাবেক ১২ মাসের জন্য তাদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি। তবে আইনটি ১৯৮৭ সালের অর্থাৎ তিন-যুগের পুরনো তাই এটি সংশোধন করার ভাবনা প্রশাসনের রয়েছে।

ইত্তেফাক/এআই