রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবনে মশা নিধনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। জোন-৪/১ এর আওতাধীন বসুন্ধরা এবং নিকুঞ্জ এলাকায় মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসব এলাকায় আলাদা আলাদা আভিযানিক দল অংশ নেয়।
এই মশক নিধনের বিশেষ অভিযানে নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের চারপাশ, বেইজমেন্ট ও ছাদ পরিদর্শন করে রাজউকের বিশেষ আভিযানিক দল। মশকনিধন অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাজউকের অথরাইজড অফিসার -৪/১ মো. ইমরুল হাসান। রোববার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে নির্মাণাধীন ভবন গুলো কর্তপক্ষের উপস্থিতিতে রাজউকের অথরাইজড অফিসার ইমরুল হাসান মশক নিধনের জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করে। সেই সঙ্গে ভবনের চারপাশ, বেজমেন্ট ও ছাদ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখাসহ ভবনের কোথায়ও যেন পানি জমে না থাকে এবং দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে কঠোর সর্তক অবস্থা জারি করে। রাজউকের আভিযানিক দলের উপস্থিত কয়েকটি ভবনের বেজমেন্ট এবং চারপাশ পরিষ্কার করে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে অথরাইজড অফিসার মো. ইমরুল হাসান বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জোন ৪/১ এর আওতাধীন বসুন্ধরা ও নিকুঞ্জ এলাকায় আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করি। এই এলাকার নির্মাণাধীন অনেকগুলো ভবন পরিদর্শন করি। প্রতিটি ভবনের চারপাশ, বেইজমেন্ট ও ছাদ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখাসহ ভবনের কোথায়ও যেন পানি জমে না থাকে সেই জন্য দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমবারের মত সর্তক করলাম পরবর্তীতে আইননুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাজউকের ২৪টি জোন রয়েছে, প্রতিটি জোনে এই অভিযান পরিচালনা করে হচ্ছে। মশক নিধনে জন্য ১০ দিনের একটি বিশেষ অভিযান এটি। তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
এই বিশেষ মোবাইল কোর্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন রাজউক অথরাইজড অফিসার- ৪/১ ইমরুল হাসান ও সরকারি অথরাইজড অফিসার, প্রধান ইমারত পরিদর্শক ও ইমারত পরিদর্শকগণ, এছাড়াও জোন-৪/১ এর রাজউকের সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তারা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।
