আশুগঞ্জে নৌবন্দর প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের অর্থ পরিশোধ শুরু হয়েছে। গত সোমবার বিকালে উপজেলার চরচাতলা ইউনয়িনের মহররম পাড়ায় নৌবন্দরের প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শন শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদৌলা খান নিজ হাতে নৌবন্দরের ভূমি অধিগ্রহণের টাকা ভূমি মালিকদের হাতে তুলে দেন। প্রথমদিনে ১২ জনের হাতে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা তুলে দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ বিভাগ সূত্র জানায়, আশুগঞ্জকে ২০০৪ সালে নৌবন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে আশুগঞ্জ নদী বন্দরকে পোর্ট অব কল ঘোষণা করা হয়। প্রোটোকল অনুযায়ী এই নৌবন্দর দুই দেশের নৌযানের মালামাল লোডিং/আনলোডিং সুবিধা প্রদান করবে।
ভূমি মালিক কাজী মহিউদ্দিন মোল্লা, জামাল হোসেন, আবু বকর, জাকির হোসেনসহ অনেকে বলেন, অনেক বাধাবিপত্তি পেরিয়ে আশুগঞ্জ আন্তর্জাতিক নির্মাণ প্রকল্পের প্রস্তাবিত ভূমি মালিকদের ভূমির টাকা দেওয়া শুরু হয়েছে। ভূমি মালিকরা চেক হাতে পেয়ে খুশি।
ভূমি মালিকরা বলছেন, দেরিতে হলেও টাকা পরিশোধ শুরু করায় আমরা আনন্দিত। ভূমি অধিগ্রহণের টাকা পরিশোধ শুরু করায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে এখানকার জনগণ আশা করছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদৌলা খান জানান, ভূমি অধিগ্রহণের জন্য প্রায় ৬২০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, শতভাগ সততা বজায় রেখে ভূমি মালিকদের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো প্রকার অনিয়ম এই প্রকল্পে হতে দেওয়া হবে না।
