কুবি ভিসিকে আইনের আওতায় আনার দাবি ডুজার

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৩, ১৬:৩৭

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈনকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। ৩ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো ডুজার এক বিবৃতিতে এমন দাবি জানানো হয়। 

বিবৃতিতে বলা হয়, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি দুর্নীতির পক্ষে বক্তব্য দেওয়া মানে তিনি দুর্নীতি করাকে উৎসাহিত করেছেন। যেটি দেশের আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। সেই বক্তব্যের জন্য তার জাতির সামনে ক্ষমা চাওয়া উচিত। এটি না করে বরং তিনি একজন সাংবাদিককে কোন ধরণের আইনের তোয়াক্কা না করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সামরিক বহিষ্কার করেছেন। তিনি ওই সংবাদকর্মীর পেশা জীবনে সংঘটিত ঘটনার প্রতিক্রিয়া তার শিক্ষা জীবনের উপর দেখিয়েছে, যা কোন বিচারেই যুক্তিযুক্ত নয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. এএফএম আবদুল মঈনের দুর্নীতির পক্ষে বক্তব্য দেওয়ায় তাকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাই।' 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'গত ২ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অফিস আদেশে দেখা যায়। উপাচার্যের বক্তব্যকে বিকৃত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিমূলক মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগের সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মী রুদ্র ইকবালকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু বহিষ্কারের আগে রুদ্র ইকবালের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। যেটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্বৈরাতান্ত্রিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ।'

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন দুর্নীতির পক্ষে সাফাই গেয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেন। পরে তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি রুদ্র ইকবাল সংবাদ প্রকাশ করেন৷

ইত্তেফাক/এআই